সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর: প্রেস সচিব

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৩২ Time View
রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ছবি: সংগৃহীত

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের পর নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে সব ধরনের অস্পষ্টতা দূর করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হতে সর্বোচ্চ তিন দিন সময় লাগতে পারে এবং আগামী ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। শপথ শেষে দ্রুততার সঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ দ্রুততার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে তিন দিনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব। অর্থাৎ ১৫, ১৬ কিংবা ১৭–১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।’

একই সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুঞ্জন প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

ডেপুটি প্রেস সচিব আরও জানান, সরকার শুরু থেকেই স্পষ্ট করেছে—নির্বাচন শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের কাছে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরে যাবে।

১৮০ কার্যদিবস নিয়ে চলমান আলোচনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এই সময়সীমা মূলত নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি গণপরিষদের সদস্য হিসেবে সংস্কারসংক্রান্ত কাজ করবেন। বিশেষ করে ‘জুলাই চার্টার’ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্কারের ধারা–উপধারাগুলোর আইনি কাঠামো নির্ধারণে এই সময় প্রয়োজন হতে পারে। এ প্রক্রিয়া চলবে সংসদের ভেতরেই এবং এর সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের কোনো সম্পর্ক নেই।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর: প্রেস সচিব

Update Time : ০৯:০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ছবি: সংগৃহীত

 

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের পর নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে সব ধরনের অস্পষ্টতা দূর করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হতে সর্বোচ্চ তিন দিন সময় লাগতে পারে এবং আগামী ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, নির্বাচনের পরপরই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। শপথ শেষে দ্রুততার সঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি বলেন, ‘সর্বোচ্চ দ্রুততার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে তিন দিনের মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব। অর্থাৎ ১৫, ১৬ কিংবা ১৭–১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে পারে।’

একই সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুঞ্জন প্রসঙ্গে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ১৮০ কার্যদিবস ক্ষমতায় থাকবে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। জনগণকে বিভ্রান্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

ডেপুটি প্রেস সচিব আরও জানান, সরকার শুরু থেকেই স্পষ্ট করেছে—নির্বাচন শেষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের কাছে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব হস্তান্তর করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরে যাবে।

১৮০ কার্যদিবস নিয়ে চলমান আলোচনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, এই সময়সীমা মূলত নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা আইনপ্রণেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি গণপরিষদের সদস্য হিসেবে সংস্কারসংক্রান্ত কাজ করবেন। বিশেষ করে ‘জুলাই চার্টার’ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্কারের ধারা–উপধারাগুলোর আইনি কাঠামো নির্ধারণে এই সময় প্রয়োজন হতে পারে। এ প্রক্রিয়া চলবে সংসদের ভেতরেই এবং এর সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদের কোনো সম্পর্ক নেই।