পে স্কেলের দাবিতে কর্মবিরতিতে সরকারি কর্মচারীরা
- Update Time : ০৫:২৪:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ১৩৩ Time View

বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর করার দাবিতে সারা দেশে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করেছেন। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। একই কর্মসূচি আগামী সোমবার ও মঙ্গলবারও পালন করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
কর্মচারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তারা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। এ লক্ষ্যে সরকার একটি পে কমিশন গঠন করে, যার প্রতিবেদন ইতোমধ্যে সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী গেজেট প্রকাশে গড়িমসি এবং সরকারের পক্ষ থেকে এই কমিশন বাস্তবায়ন না করার ইঙ্গিত দেওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্যে পে কমিশন বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়ে গেছে। এর প্রতিবাদেই তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
রোববার সকাল থেকে সারা দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে দুই ঘণ্টার জন্য সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন। তবে কর্মচারীরা বলছেন, তারা দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে ন্যূনতম সম্মানজনক বেতন না পেলে আর কতদিন সহ্য করা সম্ভব—সেই প্রশ্নই এখন তাদের সামনে।
কর্মচারীরা আরও জানান, সরকার যদি দ্রুত তাদের দাবি মেনে নেয় এবং নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের গেজেট প্রকাশ করে, তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গেই কর্মস্থলে ফিরে যাবেন।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন দুই ঘণ্টা করে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এই সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে ‘ভুখা মিছিল’ কর্মসূচি পালন করা হবে বলেও সংগঠনটি ঘোষণা দিয়েছে।













