মুক্তিযোদ্ধা কোটায় অনিয়ম: ২৯ বিসিএসে নিয়োগ, পিএসসির ১৪ ঊর্ধ্বতনসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
- Update Time : ০৬:৪৯:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৩৫ Time View

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন না করেও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোটায় ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ও পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ১৪ জন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযুক্তদের মধ্যে পিএসসির সদস্য, সাবেক সচিব এবং নিয়োগপ্রাপ্ত ছয়জন ক্যাডার কর্মকর্তা রয়েছেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।
দুদকের অনুমোদিত মামলাগুলোর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন পিএসসির সদস্য এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামা, আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, প্রফেসর ডা. ফরিদা আদিব খানম ও মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান। এ ছাড়া সাবেক সচিব চৌধুরী বাবুল হাসান, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ.ই.ম নেছার উদ্দিন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. লোকমান আহমদও আসামি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত।
অন্যদিকে বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় নিয়োগপ্রাপ্ত ছয় ক্যাডার কর্মকর্তা হলেন— রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জল হোসেন, হালিমা খাতুন, মিল্টন আলী বিশ্বাস, নাহিদা বারিক ও খোরশেদ আলম।
দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, নিয়োগ ও পরীক্ষা কার্যক্রমে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এসব অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে। অনুসন্ধান টিমের সুপারিশের ভিত্তিতে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় পৃথক ছয়টি মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এই ঘটনায় সরকারি নিয়োগ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।













