সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনকালীন ২৩ দিন বিসিএসসহ সব পরীক্ষা স্থগিতের দাবি

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১৮৫ Time View

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচনকালীন সময়ে বিসিএসসহ সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে একদল চাকরিপ্রার্থী। তারা চায় আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৩ দিন এসব পরীক্ষা বন্ধ রাখা হোক, যাতে তরুণরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে পারে।

চাকরিপ্রার্থীরা গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে তারা নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দেন এবং দেশের তরুণ ভোটারদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের কথা তুলে ধরেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে দেশের তরুণ ভোটাররা প্রকৃত অর্থে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় মতপ্রকাশের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে দেখছেন। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই সময়টি তরুণ ভোটারদের জন্য রাজনৈতিকভাবে সচেতন হওয়া, বিভিন্ন কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়া এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের মানসিক প্রস্তুতি নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়।

চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন তরুণদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। একদিকে জাতীয় নির্বাচনে নাগরিক দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি, অন্যদিকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার চাপ—এই দুইয়ের সমন্বয় তরুণদের মনোযোগ ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকে ব্যাহত করছে বলে তারা দাবি করেন।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সংবিধান অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থে কমিশন নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্বাচনকালীন সময়ে এসব পরীক্ষা স্থগিত রাখতে পারে।

চাকরিপ্রার্থীদের দাবি তিনটি মূল পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে—

১) ২১ জানুয়ারি থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হবে।
২) একই সময় দেশের সব

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ রাখতে হবে।
৩) নির্বাচনকালীন সময়ে নতুন করে কোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা যাবে না।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

নির্বাচনকালীন ২৩ দিন বিসিএসসহ সব পরীক্ষা স্থগিতের দাবি

Update Time : ০৩:০২:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে নির্বাচনকালীন সময়ে বিসিএসসহ সব সরকারি চাকরির পরীক্ষা সাময়িকভাবে স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে একদল চাকরিপ্রার্থী। তারা চায় আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৩ দিন এসব পরীক্ষা বন্ধ রাখা হোক, যাতে তরুণরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে পারে।

চাকরিপ্রার্থীরা গতকাল রোববার (১৮ জানুয়ারি ২০২৬) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। স্মারকলিপিতে তারা নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে পরিচয় দেন এবং দেশের তরুণ ভোটারদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের কথা তুলে ধরেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে দেশের তরুণ ভোটাররা প্রকৃত অর্থে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে তারা রাষ্ট্র পরিচালনায় মতপ্রকাশের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে দেখছেন। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই সময়টি তরুণ ভোটারদের জন্য রাজনৈতিকভাবে সচেতন হওয়া, বিভিন্ন কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়া এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের মানসিক প্রস্তুতি নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সময়।

চাকরিপ্রার্থীরা বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন তরুণদের ওপর অতিরিক্ত মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। একদিকে জাতীয় নির্বাচনে নাগরিক দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি, অন্যদিকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার চাপ—এই দুইয়ের সমন্বয় তরুণদের মনোযোগ ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকে ব্যাহত করছে বলে তারা দাবি করেন।

স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। সংবিধান অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থে কমিশন নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্বাচনকালীন সময়ে এসব পরীক্ষা স্থগিত রাখতে পারে।

চাকরিপ্রার্থীদের দাবি তিনটি মূল পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে—

১) ২১ জানুয়ারি থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত রাখতে হবে।
২) একই সময় দেশের

সব সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ রাখতে হবে।
৩) নির্বাচনকালীন সময়ে নতুন করে কোনো সরকারি চাকরির পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা যাবে না।