পরিবর্তন ও সংস্কার চাইলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন: তথ্য উপদেষ্টা
- Update Time : ০৫:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৩০ Time View

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সরকারের অবস্থান স্পষ্ট—যারা পরিবর্তন চান, সংস্কার চান, তাদের গণভোটে অংশগ্রহণ করে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে জনগণ কী কী অর্জন করবে, সরকার তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে। একই সঙ্গে ‘না’ ভোট দিলে কী কী থেকে বঞ্চিত হতে হবে, সেটাও জানানো হচ্ছে। তবে কেউ যদি ‘না’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালাতে চায়, সেটি সংশ্লিষ্ট দলের নিজস্ব রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রসঙ্গে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, “আগেও বলেছি, এখনো বলছি—নির্বাচন হবে, ইনশাআল্লাহ ১২ ফেব্রুয়ারিতেই হবে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, যাতে তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগে।”
তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও এক ধরনের সংশয় তৈরি করার চেষ্টা চলছে, যাতে নির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে অনিশ্চয়তা থাকে। এসবই নির্বাচন বানচালের কুটকৌশলের অংশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন অনেক সচেতন। বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা চালিয়ে কোনো লাভ হবে না। জনগণ সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট—উভয় ক্ষেত্রেই অংশ নিয়ে নিজেদের নেতা এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিযোগ আসতেই পারে—এটাই স্বাভাবিক। কেউ যদি মনে করে তার এলাকায় কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় ঘটছে, তাহলে সে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাতে পারে। নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব আইনেই এসব অভিযোগের প্রতিকারের ব্যবস্থা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের সব ৩০০ আসনে এমন অভিযোগ নেই। এক বা দুই জায়গায় যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন তা সমাধান করবে। তবে অভিযোগ জানানোর পরও যদি প্রতিকার না পাওয়া যায়, তখন সেটি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে













