৭ জানুয়ারির মধ্যে মামলার চার্জশিট: হাদি হত্যার পেছনে জড়িত সবার নাম-ঠিকানা উন্মোচনের আশ্বাস ডিএমপি কমিশনারের
- Update Time : ১০:৩৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১৪৪ Time View

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট আগামী ৭ জানুয়ারির মধ্যে আদালতে দাখিল করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। একই সঙ্গে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত প্রত্যেকের নাম ও ঠিকানা প্রকাশের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শনিবার রাতে রাজধানীর শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। যারা এই হত্যার পেছনে রয়েছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জড়িত সবার পরিচয় ও অবস্থান জনগণের সামনে উন্মোচন করা হবে।
তিনি আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সরকার পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাবসহ সব গোয়েন্দা সংস্থাকে সম্পৃক্ত করেছে। ইতোমধ্যে তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত ফয়সালের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সামিয়া, স্ত্রীর বড় ভাই শিপু এবং গার্লফ্রেন্ড মারিয়া।
শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে অস্ত্র দুটি বর্তমানে সিআইডিতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য রাখা হয়েছে। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি ডিবি পুলিশ উদ্ধার করেছে।
ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয়ের তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের সময় ২১৮ কোটি টাকার সই করা একটি চেক উদ্ধার করা হয়েছে, যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, এটি একটি অত্যন্ত রহস্যজনক হত্যাকাণ্ড। এর নেপথ্যে একাধিক ব্যক্তি ও গোষ্ঠী জড়িত থাকার ইঙ্গিত মিলছে। কারা এর সঙ্গে সম্পৃক্ত, তা নির্ণয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।













