সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কমিশন চাইলে প্রাপ্তবয়স্ক যে কাউকে যে কোনো সময় ভোটার করতে পারে: ইসি সচিব

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৪০ Time View

 

 

 

কমিশন চাইলে প্রাপ্তবয়স্ক যে কাউকে যে কোনো সময় ভোটার করা সম্ভব—এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঢাকা–১৭ আসনের ভোটার হওয়ার আবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী এতে কোনো ধরনের আইনি বাধা নেই।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের ভোটার হওয়ার সব আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান ইসি সচিব। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন চাইলে যেকোনো সময় প্রাপ্তবয়স্ক এবং ভোটার হওয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন যে কাউকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

এদিন দুপুরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন প্রশিক্ষণ ভবনে পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় পুরো প্রক্রিয়া।

দুপুর ১টার পর তারেক রহমানের ভোটার হওয়ার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ হয়। এ সময় তিনি ছবি তোলেন, দেন দশ আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ স্ক্যান এবং নিজের নাম স্বাক্ষর করেন। এই স্বাক্ষরই পরবর্তীতে তার জাতীয় পরিচয়পত্রে অন্তর্ভুক্ত হবে।

পরে ইসি সচিব জানান, ভোটার তালিকা আইন ২০০৯-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী কমিশনের হাতে এ বিষয়ে পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। তিনি বলেন, একদিনের মধ্যেই ভোটার কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও প্রয়োজনীয় নথি যাচাই ও কমিশনের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হবে।

এর আগে একই দিন সকালে ভোটার হওয়ার আনুষঙ্গিক কাজে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

উল্লেখ্য, তারেক রহমান রাজধানীর ঢাকা–১৭ আসনের গুলশান এলাকার ১৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। তার ভোটার হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা থাকলেও নির্বাচন কমিশন বলছে, পুরো প্রক্রিয়াই আইন ও বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কমিশন চাইলে প্রাপ্তবয়স্ক যে কাউকে যে কোনো সময় ভোটার করতে পারে: ইসি সচিব

Update Time : ০৪:৪৪:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

 

 

কমিশন চাইলে প্রাপ্তবয়স্ক যে কাউকে যে কোনো সময় ভোটার করা সম্ভব—এমনটাই জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঢাকা–১৭ আসনের ভোটার হওয়ার আবেদন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী এতে কোনো ধরনের আইনি বাধা নেই।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের ভোটার হওয়ার সব আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান ইসি সচিব। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন চাইলে যেকোনো সময় প্রাপ্তবয়স্ক এবং ভোটার হওয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন যে কাউকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

এদিন দুপুরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন প্রশিক্ষণ ভবনে পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয় পুরো প্রক্রিয়া।

দুপুর ১টার পর তারেক রহমানের ভোটার হওয়ার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ হয়। এ সময় তিনি ছবি তোলেন, দেন দশ আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিশ স্ক্যান এবং নিজের নাম স্বাক্ষর করেন। এই স্বাক্ষরই পরবর্তীতে তার জাতীয় পরিচয়পত্রে অন্তর্ভুক্ত হবে।

পরে ইসি সচিব জানান, ভোটার তালিকা আইন ২০০৯-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী কমিশনের হাতে এ বিষয়ে পূর্ণ ক্ষমতা রয়েছে। তিনি বলেন, একদিনের মধ্যেই ভোটার কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও প্রয়োজনীয় নথি যাচাই ও কমিশনের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া শেষে রোববার (২৮ ডিসেম্বর) তারেক রহমানের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হবে।

এর আগে একই দিন সকালে ভোটার হওয়ার আনুষঙ্গিক কাজে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

উল্লেখ্য, তারেক রহমান রাজধানীর ঢাকা–১৭ আসনের গুলশান এলাকার ১৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। তার ভোটার হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা থাকলেও নির্বাচন কমিশন বলছে, পুরো প্রক্রিয়াই আইন ও বিধি অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে।