প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারে হামলা: অভিযানে গ্রেপ্তার ৯, ভিডিওতে শনাক্ত আরও ৩১
- Update Time : ১১:৪৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ১৯০ Time View

জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার–এর কার্যালয় এবং দুটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের দপ্তরে হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অন্তত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ জানিয়েছে, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িত আরও বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, সোমবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল পর্যন্ত চালানো অভিযানে গ্রেপ্তারদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। তারা হলেন— মো. কাশেম ফারুক, মো. সাইদুর রহমান, রাকিব হোসেন, মো. নাইম, ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, মো. সোহেল রানা ও মো. শফিকুল ইসলাম। এ ছাড়া কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও গোয়েন্দা পুলিশ আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে; তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী রোববার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে অবহিত করেছে যে, সাম্প্রতিক এসব সহিংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৩১ জনকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। একইভাবে, চট্টগ্রামে ভারতের সহকারী হাইকমিশনারের বাসভবনের কাছে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার ঘটনায়ও তিনজনকে ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার কাশেম ফারুক বগুড়ার আল-জামিয়া আল-ইসলামিয়া কাসেমুল উলুম মাদ্রাসার সাবেক ছাত্র এবং বর্তমানে ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। মো. সাইদুর রহমান ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নোয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা।
শেরপুরের বাসিন্দা রাকিব হোসেনকে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ভিডিও ফুটেজে শনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে ঘটনাস্থলের ধ্বংসস্তূপের ছবি ও উসকানিমূলক পোস্ট পাওয়া গেছে।
ঢাকার তেজগাঁওয়ের কুনিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. নাইমকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে লুট হওয়া ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাইম স্বীকার করেছেন, তিনি মোট ১ লাখ ২৩
কারওয়ান বাজার রেললাইন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. সোহেল রানার বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ঢাকার একাধিক থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে। একই এলাকা থেকে গ্রেপ্তার মো. শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুটি মামলা থাকার তথ্য দিয়েছে পুলিশ।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে এবং হামলার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।













