সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শনিবার ওসমান হাদির জানাজা, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও বিশেষ নির্দেশনা জারি

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৮:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১৬১ Time View

 

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা আগামীকাল শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার বেলা আড়াইটায় জানাজার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জানাজায় অংশগ্রহণে আগ্রহী সবাইকে কোনো ধরনের ব্যাগ, ভারী বস্তু কিংবা সন্দেহজনক সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তল্লাশি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

একই সঙ্গে জানাজা চলাকালীন এবং তার আগেপরে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের পুরো এলাকায় ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে এই নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে কার্যকর থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় শহীদ ওসমান হাদির মরদেহ বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ ঢাকায় পৌঁছেছে। সন্ধ্যা ৫টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর মরদেহ গ্রহণ ও পরিবহনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে।

এরও আগে একই দিন সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিট) ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ফ্লাইটটি। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে ফেরানো হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮ নম্বর গেট দিয়ে ওসমান হাদির মরদেহ বের করা হয়। এ উপলক্ষে পুরো বিমানবন্দর এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিমানবন্দরের ভেতরে ও বাইরে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানাজায় অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে সুশৃঙ্খলভাবে জানাজা সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবার সহযোগিতা কামনা করেছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শনিবার ওসমান হাদির জানাজা, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও বিশেষ নির্দেশনা জারি

Update Time : ০৮:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

 

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা আগামীকাল শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার বেলা আড়াইটায় জানাজার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রেস উইংয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জানাজায় অংশগ্রহণে আগ্রহী সবাইকে কোনো ধরনের ব্যাগ, ভারী বস্তু কিংবা সন্দেহজনক সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তল্লাশি কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

একই সঙ্গে জানাজা চলাকালীন এবং তার আগেপরে জাতীয় সংসদ ভবন ও এর আশপাশের পুরো এলাকায় ড্রোন ওড়ানো সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকি এড়াতে এই নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে কার্যকর থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় শহীদ ওসমান হাদির মরদেহ বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ ঢাকায় পৌঁছেছে। সন্ধ্যা ৫টা ৪৫ মিনিটে ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর মরদেহ গ্রহণ ও পরিবহনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয় কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে।

এরও আগে একই দিন সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিট) ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ফ্লাইটটি। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে ফেরানো হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮ নম্বর গেট দিয়ে ওসমান হাদির মরদেহ বের করা হয়। এ উপলক্ষে পুরো বিমানবন্দর এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে বিমানবন্দরের ভেতরে ও বাইরে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ এই জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানাজায় অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে সুশৃঙ্খলভাবে জানাজা সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবার সহযোগিতা কামনা করেছে।