সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করার কাজ দ্রুত এগোচ্ছে: সাত কলেজ ইস্যুতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৩৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১০৪ Time View

রাজধানীর সরকারি বড় সাত কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় কাঠামো ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে অভূতপূর্ব অস্থিরতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত মডেলকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন অংশীজন কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান নিয়ে রাস্তায় নেমে আসায় পরিস্থিতি হয়ে উঠছে আরও জটিল। এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়া পরিমার্জনের কাজ শেষ পর্যায়ে, এবং ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই পরিমার্জিত খসড়ার ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আয়োজন করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ অগ্রগতি

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হলো—সাত কলেজের দীর্ঘদিনের সমস্যা, যেমন- সময়মতো পরীক্ষা, ফল প্রকাশে বিলম্ব, প্রশাসনিক জটিলতা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা। ইতোমধ্যে খসড়াটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এ পাঠানো হয়েছে এবং মতামত নিয়ে সংশোধন চলছে।

অংশীজনদের মতামতে এসেছে পাঁচ হাজারেরও বেশি প্রতিক্রিয়া

গত ২৪ সেপ্টেম্বর খসড়া অধ্যাদেশটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া গেছে হাজারেরও বেশি মতামত। এই মতামতগুলো আইনি কাঠামো ও বাস্তবতার আলোকে বিশ্লেষণ করে ধাপে ধাপে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনটি পৃথক মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সব মতামত সংগ্রহ শেষে অধ্যাদেশের খসড়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে; এবং মন্ত্রণালয় আশা করছে নির্ধারিত সময়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের মাধ্যমে এটি আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।

শিক্ষার্থীদের মাঠে অবস্থান—বিভক্ত পাঁচটি পক্ষ

সাত কলেজ ইস্যুতে শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের অবস্থান এখন মোটামুটি পাঁচটি ভাগে বিভক্ত—

১. বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবি—এই পক্ষের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা সোমবারও শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
২. কলেজের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার দাবি—ঢাকা কলেজসহ বেশ কিছু কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিক আন্দোলন করছেন।
৩. স্কুলিং

মডেলভিত্তিক কাঠামোর বিরোধিতা—গতকাল পাঁচ কলেজের শিক্ষার্থীরা শাহবাগ অবরোধ করে বলেন, নতুন কাঠামো উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করবে।
৪. কলেজশিক্ষকদের অবস্থান—তারা প্রস্তাবিত কাঠামোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছেন।
৫. ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রীরা—কলেজটি নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখাসহ পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরছেন।

এই সবকিছুর ফলে সাত কলেজকে ঘিরে সংকটের মাত্রা প্রতিদিন আরও নতুন জটিলতা তৈরি করছে।

ক্লাস শুরুর অঙ্গীকার: জানুয়ারি থেকেই নতুন বর্ষের পাঠদান

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন ও ক্লাস শুরু যাতে বিন্দুমাত্র ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে সর্বস্তরের অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।
১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইউজিসি, অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন ও সাত কলেজের অধ্যক্ষরা অংশ নেন।

সেখানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
এরপর ৪ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ ও ৭ ডিসেম্বর শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়—শীতকালীন ছুটি শেষে জানুয়ারি থেকেই ক্লাস শুরু করা সম্ভব হবে।

ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য: ১০ হাজারের বেশি ভর্তির সুযোগ, নিশ্চয়ন হাজার ৩৮৮ জন

২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে সাত কলেজে বিভিন্ন ইউনিটে মোট ভর্তি আবেদন গ্রহণ করা হয় ১০,১৯৪টি। এর মধ্যে ৯,৩৮৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তির নিশ্চয়তা সম্পন্ন করেছেন। শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি পৃথক পরিচালন ম্যানুয়েলও অনুমোদন করেছে মন্ত্রণালয়।

অধ্যাদেশ চূড়ান্তে বিবেচনায় থাকছে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

খসড়া অধ্যাদেশ পরিমার্জনের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—

১. উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন
২. শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পদ সংরক্ষণ
৩. কলেজের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা
৪. নারীদের শিক্ষার সুযোগ সংকুচিত না হওয়া
৫. ইডেনসহ নারীদের কলেজের বিশেষ বৈশিষ্ট্য রক্ষা
৬. কলেজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানা
৭. উচ্চমাধ্যমিক কার্যক্রমে বিঘ্ন না ঘটানো
৮. সাত কলেজের সঙ্গে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পৃক্ততার ধরন নির্ধারণ
৯. একাডেমিক পরিবেশ স্থিতিশীল রাখা
১০. অংশীজনদের ন্যায্য স্বার্থ সুরক্ষা

মন্ত্রণালয় বলছে, বিষয়গুলো সমাধান করার জন্য সময় ও ধৈর্য প্রয়োজন। সব অংশীজনের দায়িত্বশীল আচরণে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।

বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান

ব্যাখ্যার শেষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেছে—অসম্পূর্ণ তথ্য, গুজব বা ব্যক্তিগত ধারণার ভিত্তিতে বিভ্রান্তি তৈরি করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। তাই সরকারি কর্মচারী হিসেবে শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় যাতে নষ্ট না হয়, সেই লক্ষ্যেই মন্ত্রণালয়ের সব উদ্যোগ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করার কাজ দ্রুত এগোচ্ছে: সাত কলেজ ইস্যুতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা

Update Time : ০৯:৩৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর সরকারি বড় সাত কলেজ নিয়ে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় কাঠামো ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে অভূতপূর্ব অস্থিরতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত মডেলকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও বিভিন্ন অংশীজন কয়েকটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান নিয়ে রাস্তায় নেমে আসায় পরিস্থিতি হয়ে উঠছে আরও জটিল। এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়া পরিমার্জনের কাজ শেষ পর্যায়ে, এবং ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই পরিমার্জিত খসড়ার ওপর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আয়োজন করা সম্ভব হবে।

মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ অগ্রগতি

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হলো—সাত কলেজের দীর্ঘদিনের সমস্যা, যেমন- সময়মতো পরীক্ষা, ফল প্রকাশে বিলম্ব, প্রশাসনিক জটিলতা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা। ইতোমধ্যে খসড়াটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এ পাঠানো হয়েছে এবং মতামত নিয়ে সংশোধন চলছে।

অংশীজনদের মতামতে এসেছে পাঁচ হাজারেরও বেশি প্রতিক্রিয়া

গত ২৪ সেপ্টেম্বর খসড়া অধ্যাদেশটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিশেষজ্ঞ, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া গেছে হাজারেরও বেশি মতামত। এই মতামতগুলো আইনি কাঠামো ও বাস্তবতার আলোকে বিশ্লেষণ করে ধাপে ধাপে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনটি পৃথক মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সব মতামত সংগ্রহ শেষে অধ্যাদেশের খসড়া বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে; এবং মন্ত্রণালয় আশা করছে নির্ধারিত সময়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের মাধ্যমে এটি আরেক ধাপ এগিয়ে যাবে।

শিক্ষার্থীদের মাঠে অবস্থান—বিভক্ত পাঁচটি পক্ষ

সাত কলেজ ইস্যুতে শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের অবস্থান এখন মোটামুটি পাঁচটি ভাগে বিভক্ত—

১. বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবি—এই পক্ষের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা সোমবারও শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
২. কলেজের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার দাবি—ঢাকা কলেজসহ বেশ কিছু কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিক আন্দোলন করছেন।

/> ৩. স্কুলিং মডেলভিত্তিক কাঠামোর বিরোধিতা—গতকাল পাঁচ কলেজের শিক্ষার্থীরা শাহবাগ অবরোধ করে বলেন, নতুন কাঠামো উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত করবে।
৪. কলেজশিক্ষকদের অবস্থান—তারা প্রস্তাবিত কাঠামোর বিভিন্ন দিক নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছেন।
৫. ইডেন মহিলা কলেজের ছাত্রীরা—কলেজটি নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখাসহ পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরছেন।

এই সবকিছুর ফলে সাত কলেজকে ঘিরে সংকটের মাত্রা প্রতিদিন আরও নতুন জটিলতা তৈরি করছে।

ক্লাস শুরুর অঙ্গীকার: জানুয়ারি থেকেই নতুন বর্ষের পাঠদান

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন ও ক্লাস শুরু যাতে বিন্দুমাত্র ব্যাহত না হয়, সে লক্ষ্যে সর্বস্তরের অংশীজনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে।
১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইউজিসি, অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন ও সাত কলেজের অধ্যক্ষরা অংশ নেন।

সেখানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
এরপর ৪ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ ও ৭ ডিসেম্বর শিক্ষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়—শীতকালীন ছুটি শেষে জানুয়ারি থেকেই ক্লাস শুরু করা সম্ভব হবে।

ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য: ১০ হাজারের বেশি ভর্তির সুযোগ, নিশ্চয়ন হাজার ৩৮৮ জন

২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে সাত কলেজে বিভিন্ন ইউনিটে মোট ভর্তি আবেদন গ্রহণ করা হয় ১০,১৯৪টি। এর মধ্যে ৯,৩৮৮ জন শিক্ষার্থী ভর্তির নিশ্চয়তা সম্পন্ন করেছেন। শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি পৃথক পরিচালন ম্যানুয়েলও অনুমোদন করেছে মন্ত্রণালয়।

অধ্যাদেশ চূড়ান্তে বিবেচনায় থাকছে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

খসড়া অধ্যাদেশ পরিমার্জনের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে—

১. উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন
২. শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পদ সংরক্ষণ
৩. কলেজের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা
৪. নারীদের শিক্ষার সুযোগ সংকুচিত না হওয়া
৫. ইডেনসহ নারীদের কলেজের বিশেষ বৈশিষ্ট্য রক্ষা
৬. কলেজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানা
৭. উচ্চমাধ্যমিক কার্যক্রমে বিঘ্ন না ঘটানো
৮. সাত কলেজের সঙ্গে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পৃক্ততার ধরন নির্ধারণ
৯. একাডেমিক পরিবেশ স্থিতিশীল রাখা
১০. অংশীজনদের ন্যায্য স্বার্থ সুরক্ষা

মন্ত্রণালয় বলছে, বিষয়গুলো সমাধান করার জন্য সময় ও ধৈর্য প্রয়োজন। সব অংশীজনের দায়িত্বশীল আচরণে একটি গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।

বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান

ব্যাখ্যার শেষে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেছে—অসম্পূর্ণ তথ্য, গুজব বা ব্যক্তিগত ধারণার ভিত্তিতে বিভ্রান্তি তৈরি করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে। তাই সরকারি কর্মচারী হিসেবে শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব বজায় রাখা এবং শিক্ষার্থীদেরও দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় যাতে নষ্ট না হয়, সেই লক্ষ্যেই মন্ত্রণালয়ের সব উদ্যোগ।