সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাইনাস ফোর ফর্মুলা দিচ্ছে স্বৈরাচারের দোসররা:প্রেস সচিব

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০২:২৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১০০ Time View

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে সরকারের কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, যারা ‘মাইনাস ফোর’ ফর্মুলার প্রস্তাবনা দিচ্ছে, তারা স্বৈরাচারের দোসরের দল থেকে এসেছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে মাগুরা সরকারি মডেল স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস সচিব বলেন, “তারেক রহমানের দেশে ফেরা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত বিষয় এবং তার দলের বিষয়। সরকারের পক্ষ থেকে তার দেশে ফেরা নিয়ে কোনো বাধা নেই। এটি রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্তের বিষয় নয়।”

‘মাইনাস ফোর ফর্মুলা’ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “যারা এই ফর্মুলার কথা বলছে, তারা স্বৈরাচারের দোসরের দল থেকে এসেছে। সরকারের পক্ষ থেকে কখনোই মাইনাস ফোর নিয়ে কোনো কথা বলা হয়নি। যিনি মাইনাস হয়েছেন, তিনি হত্যাযোগ্য অপরাধের কারণে মাইনাস হয়েছেন। এটি কোনো রাজনৈতিক ফর্মুলা নয়, বরং অপরাধমূলক কারণে প্রযোজ্য।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে। কোনো শক্তি নির্বাচনের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। তিনি বলেন, “সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গণতন্ত্রের এই বিজয়ী প্রক্রিয়াকে কেউ থামাতে পারবে না।”

জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না-এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “জাতীয় পার্টি একটি স্বৈরাচারের দোসর দল। যদিও তারা এখনও ব্যান্ড হয়নি, আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। তারা যদি নির্বাচন করতে চায়, সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। তবে ইতিহাস প্রমাণ করে, জাতীয় পার্টি স্বৈরাচারের ভয়ঙ্কর দোসর হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী লীগ যেসব অপকর্ম করেছে, তা করার ক্ষেত্রে জাতীয় পার্টির সহায়তা অনস্বীকার্য।”

শফিকুল আলমের এই মন্তব্য রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। তার ভাষায়, গণতন্ত্র ও নির্বাচনের স্বচ্ছতা রক্ষাই মূল লক্ষ্য, যেখানে কোনো বাহ্যিক বা স্বার্থান্বেষী প্রস্তাব প্রভাব ফেলতে পারবে না।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মাইনাস ফোর ফর্মুলা দিচ্ছে স্বৈরাচারের দোসররা:প্রেস সচিব

Update Time : ০২:২৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে সরকারের কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, যারা ‘মাইনাস ফোর’ ফর্মুলার প্রস্তাবনা দিচ্ছে, তারা স্বৈরাচারের দোসরের দল থেকে এসেছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে মাগুরা সরকারি মডেল স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস সচিব বলেন, “তারেক রহমানের দেশে ফেরা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত বিষয় এবং তার দলের বিষয়। সরকারের পক্ষ থেকে তার দেশে ফেরা নিয়ে কোনো বাধা নেই। এটি রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক কোনো সিদ্ধান্তের বিষয় নয়।”

‘মাইনাস ফোর ফর্মুলা’ নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “যারা এই ফর্মুলার কথা বলছে, তারা স্বৈরাচারের দোসরের দল থেকে এসেছে। সরকারের পক্ষ থেকে কখনোই মাইনাস ফোর নিয়ে কোনো কথা বলা হয়নি। যিনি মাইনাস হয়েছেন, তিনি হত্যাযোগ্য অপরাধের কারণে মাইনাস হয়েছেন। এটি কোনো রাজনৈতিক ফর্মুলা নয়, বরং অপরাধমূলক কারণে প্রযোজ্য।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি জানান, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে। কোনো শক্তি নির্বাচনের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। তিনি বলেন, “সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গণতন্ত্রের এই বিজয়ী প্রক্রিয়াকে কেউ থামাতে পারবে না।”

জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে কি না-এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “জাতীয় পার্টি একটি স্বৈরাচারের দোসর দল। যদিও তারা এখনও ব্যান্ড হয়নি, আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। তারা যদি নির্বাচন করতে চায়, সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। তবে ইতিহাস প্রমাণ করে, জাতীয় পার্টি স্বৈরাচারের ভয়ঙ্কর দোসর হিসেবে পরিচিত। আওয়ামী লীগ যেসব অপকর্ম করেছে, তা করার ক্ষেত্রে জাতীয় পার্টির সহায়তা অনস্বীকার্য।”

শফিকুল আলমের এই মন্তব্য রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। তার ভাষায়, গণতন্ত্র ও নির্বাচনের স্বচ্ছতা রক্ষাই মূল লক্ষ্য, যেখানে কোনো বাহ্যিক বা স্বার্থান্বেষী প্রস্তাব প্রভাব ফেলতে পারবে না।