সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বচ্ছ নির্বাচনে গণমাধ্যমের বিকল্প নেই: নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১০:৫০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১১৪ Time View

 

স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকাকে অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, একটি দেশের গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে, কারণ জনগণের আস্থা গড়ে ওঠে সঠিক তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত হলে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনী সুষ্ঠুতা রক্ষায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “একটি স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা নির্বাচন কমিশন একা যথেষ্ট নয়—গণমাধ্যমই পারে জনগণের কাছে সত্য তুলে ধরে পুরো প্রক্রিয়াকে দায়বদ্ধ রাখতে।”

তিনি আরও বলেন, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থা নানা বাধা ও বিতর্কের মধ্য দিয়ে গেছে, যার কারণে জনমনে সন্দেহ ও অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। সে অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার—স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ ও বিশ্বাসযোগ্যতার নতুন দৃষ্টান্ত।

ভোটদানের সময় সম্পর্কে তিনি জানান, বর্তমানে একজন ভোটারের গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট সময় লাগছে দুটি ভোট একসাথে দিতে। ভোটের দিন গণমাধ্যম কর্মীদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

এসময় নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, নির্বাচনের জোয়ারে এখন পুরো নির্বাচন কমিশন ব্যস্ত। সরকারের সহযোগিতায় শতাব্দীর সেরা নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যেই কাজ করছে ইসি। তিনি উল্লেখ করেন, “গণমাধ্যম ছাড়া একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কল্পনাই করা যায় না। তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের সক্রিয় উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।”

আয়োজনে বক্তারা আরও বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের পথ সুগম করতে গণমাধ্যমই সবচেয়ে বড় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। সঠিক তথ্য, মাঠের বাস্তবতা এবং অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে তারা জনগণের আস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্বচ্ছ নির্বাচনে গণমাধ্যমের বিকল্প নেই: নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ

Update Time : ১০:৫০:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

 

স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকাকে অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, একটি দেশের গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে হলে গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে, কারণ জনগণের আস্থা গড়ে ওঠে সঠিক তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত হলে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনী সুষ্ঠুতা রক্ষায় সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “একটি স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা নির্বাচন কমিশন একা যথেষ্ট নয়—গণমাধ্যমই পারে জনগণের কাছে সত্য তুলে ধরে পুরো প্রক্রিয়াকে দায়বদ্ধ রাখতে।”

তিনি আরও বলেন, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের নির্বাচনব্যবস্থা নানা বাধা ও বিতর্কের মধ্য দিয়ে গেছে, যার কারণে জনমনে সন্দেহ ও অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে। সে অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারের নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার—স্বচ্ছতা, অংশগ্রহণ ও বিশ্বাসযোগ্যতার নতুন দৃষ্টান্ত।

ভোটদানের সময় সম্পর্কে তিনি জানান, বর্তমানে একজন ভোটারের গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন মিনিট সময় লাগছে দুটি ভোট একসাথে দিতে। ভোটের দিন গণমাধ্যম কর্মীদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

এসময় নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, নির্বাচনের জোয়ারে এখন পুরো নির্বাচন কমিশন ব্যস্ত। সরকারের সহযোগিতায় শতাব্দীর সেরা নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যেই কাজ করছে ইসি। তিনি উল্লেখ করেন, “গণমাধ্যম ছাড়া একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কল্পনাই করা যায় না। তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের সক্রিয় উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।”

আয়োজনে বক্তারা আরও বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের পথ সুগম করতে গণমাধ্যমই সবচেয়ে বড় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে। সঠিক তথ্য, মাঠের বাস্তবতা এবং অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে তারা জনগণের আস্থা পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।