সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮০ হাজারের বেশি আবেদন বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান-সহকারী প্রধান পদে, ১৭-১৮ এপ্রিল পরীক্ষা

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৪৬ Time View

 

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগে এবার ব্যাপক সাড়া মিলেছে। এসব পদে ৮০ হাজারের বেশি শিক্ষক আবেদন করেছেন। প্রার্থী নির্বাচন ১০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। সম্ভাব্যভাবে আগামী ১৭ ও ১৮ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শিগগিরই এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হবে। এবারই প্রথমবারের মতো এনটিআরসিএর মাধ্যমে বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। গত ২৯ জানুয়ারি এসব পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদন গ্রহণ শুরু হয় ৩ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হয় ২৬ ফেব্রুয়ারি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে।

নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামো (মোট ১০০ নম্বর)

১। লিখিত পরীক্ষা (৮০ নম্বর, এমসিকিউ পদ্ধতি)

  • সময়: ১ ঘণ্টা
  • প্রশ্ন: ৮০টি
  • প্রতিটি সঠিক উত্তরে ১ নম্বর
  • প্রতিটি ভুল উত্তরে ০.২৫ নম্বর কর্তন

২। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: ১২ নম্বর

৩। মৌখিক পরীক্ষা: নম্বর

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীকে প্রতিটি অংশে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা যাচাই করা হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী।

এর আগে, গত ২৭ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় জারি করা এক পরিপত্রে বেসরকারি বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, উপাধ্যক্ষ, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএকে অর্পণ করে। ২০০৫ সাল থেকে সংস্থাটি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আয়োজন করে আসছে এবং ২০১৬ সাল থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি-লেভেলের শিক্ষক ও প্রভাষক নিয়োগের জন্য প্রার্থী নির্বাচন ও সুপারিশ করে আসছে।

এবার প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে বিপুলসংখ্যক আবেদন প্রমাণ করছে যে, শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এসব পদে যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

৮০ হাজারের বেশি আবেদন বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান-সহকারী প্রধান পদে, ১৭-১৮ এপ্রিল পরীক্ষা

Update Time : ০২:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগে এবার ব্যাপক সাড়া মিলেছে। এসব পদে ৮০ হাজারের বেশি শিক্ষক আবেদন করেছেন। প্রার্থী নির্বাচন ১০০ নম্বরের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। সম্ভাব্যভাবে আগামী ১৭ ও ১৮ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শিগগিরই এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হবে। এবারই প্রথমবারের মতো এনটিআরসিএর মাধ্যমে বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে। গত ২৯ জানুয়ারি এসব পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদন গ্রহণ শুরু হয় ৩ ফেব্রুয়ারি এবং শেষ হয় ২৬ ফেব্রুয়ারি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে।

নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামো (মোট ১০০ নম্বর)

১। লিখিত পরীক্ষা (৮০ নম্বর, এমসিকিউ পদ্ধতি)

  • সময়: ১ ঘণ্টা
  • প্রশ্ন: ৮০টি
  • প্রতিটি সঠিক উত্তরে ১ নম্বর
  • প্রতিটি ভুল উত্তরে ০.২৫ নম্বর কর্তন

২। শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ: ১২ নম্বর

৩। মৌখিক পরীক্ষা: নম্বর

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে প্রার্থীকে প্রতিটি অংশে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা যাচাই করা হবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সর্বশেষ জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী।

এর আগে, গত ২৭ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় জারি করা এক পরিপত্রে বেসরকারি বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, উপাধ্যক্ষ, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপার পদে নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএকে অর্পণ করে। ২০০৫ সাল থেকে সংস্থাটি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা আয়োজন করে আসছে এবং ২০১৬ সাল থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এন্ট্রি-লেভেলের শিক্ষক ও প্রভাষক নিয়োগের জন্য প্রার্থী নির্বাচন ও সুপারিশ করে আসছে।

এবার প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে বিপুলসংখ্যক আবেদন প্রমাণ করছে যে, শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এসব পদে যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।