সময়: বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের অভিষেক কেমন হবে

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:২৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১৫৮ Time View

prothomalo bangla 2025 01 17 33lknxk9 Trump 1

আগামী সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে’ ছবি: রয়টার্স

 

এএফপি, ওয়াশিংটন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান সবসময়ই বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। প্রতি চার বছর পরপর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। ২০ জানুয়ারি, সোমবার, ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। এটি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ এবং তার অভিষেক অনুষ্ঠানকে ঘিরে একাধিক জমকালো আয়োজন করা হচ্ছে।

নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। এবার ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে কী কী থাকবে, তা বিস্তারিতভাবে দেখে নেওয়া যাক।

শপথ গ্রহণ: ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ২০ জানুয়ারি দুপুরে শুরু হয়। সেদিন ক্যাপিটলের ওয়েস্ট লনে স্থাপিত অস্থায়ী মঞ্চে ট্রাম্প শপথ নেবেন। শপথ বাক্য পাঠ করাবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। এটি হবে প্রধান বিচারপতির দ্বিতীয়বার ট্রাম্পকে শপথ বাক্য পাঠ করানোর ঘটনা।

শপথ গ্রহণের পর নতুন প্রেসিডেন্ট সাধারণত একটি ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি তার আগামী চার বছরের পরিকল্পনা এবং জাতির জন্য তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। ট্রাম্পের এই ভাষণ অনেকেই বিশেষভাবে নজরদারি করবেন, কারণ এটি তার দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা উপস্থাপন করবে।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও একই দিনে শপথ নেবেন। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র দেশের জনগণের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যও এক বড় উপলক্ষ।

বিশেষ আমন্ত্রণ বিশাল উপস্থিতি

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বনেতারা, শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, কূটনীতিক, এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। আইনপ্রণেতাদের কার্যালয় থেকে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি টিকিট বিতরণ করা হয়েছে।

যাঁরা সরাসরি শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন না, তাঁদের জন্যও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ন্যাশনাল মলে বড় স্ক্রিনে হাজারো মানুষ এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান সরাসরি দেখতে পারবেন। এছাড়া টেলিভিশন ও অনলাইন মাধ্যমেও এই অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হবে, যা কোটি কোটি মানুষ উপভোগ করবেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে, পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে প্যারেডের মাধ্যমে হোয়াইট হাউসে যাত্রা করবেন ট্রাম্প। এই সময় রাস্তার দুই পাশ থেকে সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানাবেন।

প্রথম দিনেই কর্মপরিকল্পনা

ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদের মতোই দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই বেশ কয়েকটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করবেন।

এই আদেশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

  • বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের নেওয়া নীতিমালা সংশোধন।
  • অভিবাসীদের গণহারে বিতাড়িত করার পরিকল্পনা।
  • তেল উত্তোলনের কার্যক্রম জোরদার করা।
  • ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে সংঘটিত দাঙ্গায় অভিযুক্তদের ক্ষমা প্রদানের প্রতিশ্রুতি।

এসব পদক্ষেপ ট্রাম্পের কঠোর নীতির প্রতিফলন, যা তার সমর্থকদের মধ্যে তাকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

সাংস্কৃতিক এবং সংগীত আয়োজন

প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হলো সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ২০১৭ সালে ট্রাম্পের প্রথম অভিষেক অনুষ্ঠানে তারকাদের উপস্থিতি কম ছিল। তবে এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন।

পরিবেশনার অংশ হিসেবে থাকছেন:

  • খ্যাতনামা সংগীতশিল্পী ক্যারি আন্ডারউড, যিনি ‘আমেরিকা দ্য বিউটিফুল’ গানটি পরিবেশন করবেন।
  • লি গ্রিনউড, যার জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান ‘গড ব্লেস দ্য ইউএসএ’ ট্রাম্পের প্রচারণায় ব্যবহৃত হয়েছে।
  • ব্যান্ড দল রাস্কাল ফ্ল্যাটস এবং গায়ক জ্যাসন আলডিয়ান
  • ডিস্কো ব্যান্ড দ্য ভিলেজ পিপল, যারা অভিষেক অনুষ্ঠানের আগের দিনের সমাবেশে পরিবেশনা করবেন।

এসব আয়োজন অনুষ্ঠানটিকে আরও বৈচিত্র্যময় এবং জমকালো করে তুলবে।

ইউএস ক্যাপিটলের ওয়েস্ট ফ্রন্টে দর্শকদের বসার জন্য চেয়ার সাজানো হচ্ছে ছবি: রয়টার্স

 

গালা অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য আয়োজন

শপথ গ্রহণের দিন রাতে তিনটি বড় গালা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের উপস্থিতি প্রত্যাশিত। এসব গালা অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রশাসনের সদস্যরা অংশ নেবেন।

শপথ গ্রহণের আগের রাতে ট্রাম্প একটি বিশেষ সমাবেশে যোগ দেবেন, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন ভিক্টরি র‍্যালি’। এটি ক্যাপিটাল ওয়ান এরিনায় অনুষ্ঠিত হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিষেক অনুষ্ঠান হবে একটি জাঁকজমকপূর্ণ ও বহুল আলোচিত আয়োজন। তাঁর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অধ্যায় শুরু হবে, যা শুধু দেশবাসীর জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এই অনুষ্ঠানের প্রতিটি মুহূর্তই গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের স্মারক এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতিচ্ছবি। ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকেই দৃঢ় ও কার্যকর নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এখন পুরো বিশ্ব নজর রাখবে এই অনুষ্ঠানে এবং পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প কীভাবে তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ট্রাম্পের অভিষেক কেমন হবে

Update Time : ০৫:২৫:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৫
আগামী সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে’ ছবি: রয়টার্স

 

এএফপি, ওয়াশিংটন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান সবসময়ই বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। প্রতি চার বছর পরপর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং জাতিকে নেতৃত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। ২০ জানুয়ারি, সোমবার, ডোনাল্ড ট্রাম্প ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। এটি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ এবং তার অভিষেক অনুষ্ঠানকে ঘিরে একাধিক জমকালো আয়োজন করা হচ্ছে।

নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। এবার ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে কী কী থাকবে, তা বিস্তারিতভাবে দেখে নেওয়া যাক।

শপথ গ্রহণ: ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা

যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ২০ জানুয়ারি দুপুরে শুরু হয়। সেদিন ক্যাপিটলের ওয়েস্ট লনে স্থাপিত অস্থায়ী মঞ্চে ট্রাম্প শপথ নেবেন। শপথ বাক্য পাঠ করাবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। এটি হবে প্রধান বিচারপতির দ্বিতীয়বার ট্রাম্পকে শপথ বাক্য পাঠ করানোর ঘটনা।

শপথ গ্রহণের পর নতুন প্রেসিডেন্ট সাধারণত একটি ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি তার আগামী চার বছরের পরিকল্পনা এবং জাতির জন্য তার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। ট্রাম্পের এই ভাষণ অনেকেই বিশেষভাবে নজরদারি করবেন, কারণ এটি তার দ্বিতীয় মেয়াদের পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপরেখা উপস্থাপন করবে।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও একই দিনে শপথ নেবেন। এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র দেশের জনগণের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্যও এক বড় উপলক্ষ।

বিশেষ আমন্ত্রণ বিশাল উপস্থিতি

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বিশ্বনেতারা, শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী, কূটনীতিক, এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। আইনপ্রণেতাদের কার্যালয় থেকে প্রায় ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি টিকিট বিতরণ করা হয়েছে।

যাঁরা সরাসরি শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারবেন না, তাঁদের জন্যও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ন্যাশনাল মলে বড় স্ক্রিনে হাজারো মানুষ এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান সরাসরি দেখতে পারবেন। এছাড়া টেলিভিশন ও অনলাইন মাধ্যমেও এই অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হবে, যা কোটি কোটি মানুষ উপভোগ করবেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে, পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে প্যারেডের মাধ্যমে হোয়াইট হাউসে যাত্রা করবেন ট্রাম্প। এই সময় রাস্তার দুই পাশ থেকে সাধারণ মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানাবেন।

প্রথম দিনেই কর্মপরিকল্পনা

ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদের মতোই দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই বেশ কয়েকটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করবেন।

এই আদেশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

  • বিদায়ী প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের নেওয়া নীতিমালা সংশোধন।
  • অভিবাসীদের গণহারে বিতাড়িত করার পরিকল্পনা।
  • তেল উত্তোলনের কার্যক্রম জোরদার করা।
  • ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটল হিলে সংঘটিত দাঙ্গায় অভিযুক্তদের ক্ষমা প্রদানের প্রতিশ্রুতি।

এসব পদক্ষেপ ট্রাম্পের কঠোর নীতির প্রতিফলন, যা তার সমর্থকদের মধ্যে তাকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।

সাংস্কৃতিক এবং সংগীত আয়োজন

প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ হলো সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ২০১৭ সালে ট্রাম্পের প্রথম অভিষেক অনুষ্ঠানে তারকাদের উপস্থিতি কম ছিল। তবে এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন।

পরিবেশনার অংশ হিসেবে থাকছেন:

  • খ্যাতনামা সংগীতশিল্পী ক্যারি আন্ডারউড, যিনি ‘আমেরিকা দ্য বিউটিফুল’ গানটি পরিবেশন করবেন।
  • লি গ্রিনউড, যার জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান ‘গড ব্লেস দ্য ইউএসএ’ ট্রাম্পের প্রচারণায় ব্যবহৃত হয়েছে।
  • ব্যান্ড দল রাস্কাল ফ্ল্যাটস এবং গায়ক জ্যাসন আলডিয়ান
  • ডিস্কো ব্যান্ড দ্য ভিলেজ পিপল, যারা অভিষেক অনুষ্ঠানের আগের দিনের সমাবেশে পরিবেশনা করবেন।

এসব আয়োজন অনুষ্ঠানটিকে আরও বৈচিত্র্যময় এবং জমকালো করে তুলবে।

ইউএস ক্যাপিটলের ওয়েস্ট ফ্রন্টে দর্শকদের বসার জন্য চেয়ার সাজানো হচ্ছে ছবি: রয়টার্স

 

গালা অনুষ্ঠান এবং অন্যান্য আয়োজন

শপথ গ্রহণের দিন রাতে তিনটি বড় গালা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের উপস্থিতি প্রত্যাশিত। এসব গালা অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট এবং তার প্রশাসনের সদস্যরা অংশ নেবেন।

শপথ গ্রহণের আগের রাতে ট্রাম্প একটি বিশেষ সমাবেশে যোগ দেবেন, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন ভিক্টরি র‍্যালি’। এটি ক্যাপিটাল ওয়ান এরিনায় অনুষ্ঠিত হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় অভিষেক অনুষ্ঠান হবে একটি জাঁকজমকপূর্ণ ও বহুল আলোচিত আয়োজন। তাঁর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অধ্যায় শুরু হবে, যা শুধু দেশবাসীর জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এই অনুষ্ঠানের প্রতিটি মুহূর্তই গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যের স্মারক এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতিচ্ছবি। ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকেই দৃঢ় ও কার্যকর নেতৃত্বের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এখন পুরো বিশ্ব নজর রাখবে এই অনুষ্ঠানে এবং পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প কীভাবে তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন।