অর্থ আত্মসাতের নতুন মামলায় এস আলম ও পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু
- Update Time : ০৯:০৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৩৩ Time View

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা নতুন এক মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের (বর্তমানে আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৫–এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৩৪ কোটি টাকার ঋণ গ্রহণ করে তা আত্মসাৎ করেছেন।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ, পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ হাসান ও শাহানা ফেরদৌস। এছাড়া রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ইভিপি রাশেদুল হক, সাবেক ম্যানেজার নাহিদা রুনাই, সাবেক এসভিপি কাজী আহমেদ জামাল ও সাবেক ডেপুটি ম্যানেজার জুমারাতুল বান্না রয়েছেন। অপর আসামিদের মধ্যে আছেন মাররিন ভেজিটেবল অয়েলসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহির আহমেদ, পরিচালক টিপু সুলতান, মো. ইসহাক ও মো. আবদুল্লাহ আল মামুন। এদের মধ্যে নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, অন্যরা পলাতক।
দুদকের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জানান, শুনানিকালে কারাগারে থাকা দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্য আসামিরা পলাতক থাকায় তারা চার্জ গঠন শুনানিতে অংশ নিতে পারেননি। দুই আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা অব্যাহতির আবেদন জানালেও আদালত তা নামঞ্জুর করে চার্জ গঠনের আদেশ দেন।
চার্জ গঠনের সময় নাহিদা রুনাই ও রাশেদুল হক নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে বিচারার্থে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত–৫–এ পাঠান।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৩ সালের ৮ আগস্ট আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নামসর্বস্ব এ এম ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ কোটি টাকার একটি মেয়াদি ঋণ অনুমোদন করেন। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ওই ঋণ বিতরণের নামে অর্থ এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেডে স্থানান্তর করা হয়।
এই ঘটনায় গত বছরের ২ জুলাই দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবীন হক মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে তিনি গত ১৬ অক্টোবর ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।
এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি মেসার্স মোস্তফা অ্যান্ড কোং নামের আরেকটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম ও একই ১৩ আসামির বিরুদ্ধে পৃথক একটি মামলায়ও চার্জ গঠন করেন আদালত।










