সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কড়া বার্তা,আমানতকারীদের টাকা ফেরতের পূর্ণ দায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংককেই নিতে হবে

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৪:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ২০৭ Time View

দেশের দুর্বল ও সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার দায়িত্ব কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই—এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, যে ব্যাংকে আমানত রাখা হয়েছে, সেই ব্যাংককেই আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে দেশের অন্তত ১৭টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ৫০ শতাংশেরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে, যা ব্যাংক খাতের জন্য গভীর উদ্বেগজনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দুর্বল বা সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংককে অধিগ্রহণ বা টেকওভার করার কোনো পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেই। অর্থাৎ, লোকসানি বা দুর্বল ব্যাংকের দায় অন্য কোনো সুস্থ ব্যাংকের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করা হবে না।

আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকেই আইনি ও প্রশাসনিক সব উপায় ব্যবহার করে আমানতকারীদের টাকা ফেরত নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে খেলাপি ঋণ আদায়ে মামলা-মোকদ্দমার পথেও যেতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তদারকি ও নীতিগত সহায়তা দেবে, তবে সরাসরি আমানত ফেরতের দায়িত্ব নেবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, খেলাপি ঋণ ও আর্থিক দুর্বলতার দায় ব্যাংক ব্যবস্থাপনার ওপরই বর্তাবে। একই সঙ্গে আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানাতে চেয়েছে, তাদের অর্থ ফেরত পাওয়ার অধিকার আইনগতভাবেই সুরক্ষিত থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সে দায়িত্ব পালন করতেই হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর বার্তা ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এটি ব্যাংক পরিচালকদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত—আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষায় ব্যর্থ হলে দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ থাকবে না।

 

দেশের দুর্বল ও সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার দায়িত্ব কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই—এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, যে ব্যাংকে আমানত রাখা হয়েছে, সেই ব্যাংককেই আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে দেশের অন্তত ১৭টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ৫০ শতাংশেরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে, যা ব্যাংক খাতের জন্য গভীর উদ্বেগজনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দুর্বল বা সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংককে অধিগ্রহণ বা টেকওভার করার কোনো পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেই। অর্থাৎ, লোকসানি বা দুর্বল ব্যাংকের দায় অন্য কোনো সুস্থ ব্যাংকের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করা হবে না।

আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকেই আইনি ও প্রশাসনিক সব উপায় ব্যবহার করে আমানতকারীদের টাকা ফেরত নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে খেলাপি ঋণ আদায়ে মামলা-মোকদ্দমার পথেও যেতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তদারকি ও নীতিগত সহায়তা দেবে, তবে সরাসরি আমানত ফেরতের দায়িত্ব নেবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, খেলাপি ঋণ ও আর্থিক দুর্বলতার দায় ব্যাংক ব্যবস্থাপনার ওপরই বর্তাবে। একই সঙ্গে আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানাতে চেয়েছে, তাদের অর্থ ফেরত পাওয়ার অধিকার আইনগতভাবেই সুরক্ষিত থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সে দায়িত্ব পালন করতেই হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর বার্তা ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এটি ব্যাংক পরিচালকদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত—আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষায় ব্যর্থ হলে দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ থাকবে না।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কড়া বার্তা,আমানতকারীদের টাকা ফেরতের পূর্ণ দায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংককেই নিতে হবে

Update Time : ০৪:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের দুর্বল ও সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার দায়িত্ব কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই—এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, যে ব্যাংকে আমানত রাখা হয়েছে, সেই ব্যাংককেই আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে দেশের অন্তত ১৭টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ৫০ শতাংশেরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে, যা ব্যাংক খাতের জন্য গভীর উদ্বেগজনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দুর্বল বা সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংককে অধিগ্রহণ বা টেকওভার করার কোনো পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেই। অর্থাৎ, লোকসানি বা দুর্বল ব্যাংকের দায় অন্য কোনো সুস্থ ব্যাংকের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করা হবে না।

আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকেই আইনি ও প্রশাসনিক সব উপায় ব্যবহার করে আমানতকারীদের টাকা ফেরত নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে খেলাপি ঋণ আদায়ে মামলা-মোকদ্দমার পথেও যেতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তদারকি ও নীতিগত সহায়তা দেবে, তবে সরাসরি আমানত ফেরতের দায়িত্ব নেবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, খেলাপি ঋণ ও আর্থিক দুর্বলতার দায় ব্যাংক ব্যবস্থাপনার ওপরই বর্তাবে। একই সঙ্গে আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানাতে চেয়েছে, তাদের অর্থ ফেরত পাওয়ার অধিকার আইনগতভাবেই সুরক্ষিত থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সে দায়িত্ব পালন করতেই হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর বার্তা ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এটি ব্যাংক পরিচালকদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত—আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষায় ব্যর্থ হলে দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ থাকবে না।

 

দেশের দুর্বল ও সংকটাপন্ন ব্যাংকগুলোর আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার দায়িত্ব কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই—এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, যে ব্যাংকে আমানত রাখা হয়েছে, সেই ব্যাংককেই আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে দেশের অন্তত ১৭টি ব্যাংকে খেলাপি ঋণের হার ৫০ শতাংশেরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে, যা ব্যাংক খাতের জন্য গভীর উদ্বেগজনক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র স্পষ্ট করে বলেন, কোনো দুর্বল বা সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংককে অধিগ্রহণ বা টেকওভার করার কোনো পরিকল্পনা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেই। অর্থাৎ, লোকসানি বা দুর্বল ব্যাংকের দায় অন্য কোনো সুস্থ ব্যাংকের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করা হবে না।

আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়ে তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকেই আইনি ও প্রশাসনিক সব উপায় ব্যবহার করে আমানতকারীদের টাকা ফেরত নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে খেলাপি ঋণ আদায়ে মামলা-মোকদ্দমার পথেও যেতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তদারকি ও নীতিগত সহায়তা দেবে, তবে সরাসরি আমানত ফেরতের দায়িত্ব নেবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট, খেলাপি ঋণ ও আর্থিক দুর্বলতার দায় ব্যাংক ব্যবস্থাপনার ওপরই বর্তাবে। একই সঙ্গে আমানতকারীদের আশ্বস্ত করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানাতে চেয়েছে, তাদের অর্থ ফেরত পাওয়ার অধিকার আইনগতভাবেই সুরক্ষিত থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে সে দায়িত্ব পালন করতেই হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর বার্তা ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং দুর্বল ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে এটি ব্যাংক পরিচালকদের জন্য একটি সতর্ক সংকেত—আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষায় ব্যর্থ হলে দায় এড়ানোর কোনো সুযোগ থাকবে না।