পাঁচ সমস্যাগ্রস্ত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারধারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
- Update Time : ১০:১০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
- / ৩০১ Time View

পাঁচ সমস্যাগ্রস্ত ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারধারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা
বাংলাদেশ ব্যাংক: ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণের বিষয় সরকার বিবেচনা করতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, দেশের পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার সময় ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের সম্ভাবনা বিবেচনা করা যেতে পারে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ ব্যাংক সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “যদি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা সরকারকে আবেদন করেন, তবে সরকার তাদের সক্ষমতা অনুযায়ী বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। শেয়ারবাজারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংকগুলিতে বিনিয়োগ করা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের বিষয়টি আমরা বোঝাতে পারি। সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।”
একীভূতকরণ প্রক্রিয়ার ধাপ
আরিফ হোসেন খান জানান, প্রস্তাবিত একীভূতকরণ একটি জটিল, বহুস্তর বিশিষ্ট নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পাঁচটি সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংককে একত্রিত করে একটি নতুন ইসলামী ব্যাংকে রূপান্তর করা হবে।
তিনি বলেন, “গত মার্চ মাসে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়, যখন সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আগ্রহপত্র জমা দেয়। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক প্রাথমিক প্রস্তাবে সম্মতি প্রদান করে। তবে নতুন প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে কেবল নির্ধারিত আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণের পর।”
প্রয়োজনীয় অনুমোদনের ধাপ
মুখপাত্র আরও জানিয়েছেন, নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য প্রথমে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্ম নিবন্ধকের (আরজেএসসি) কাছে কোম্পানি গঠনের আবেদন করতে হবে। এই আবেদনে বোর্ড গঠন ও শেয়ারহোল্ডিং কাঠামো বিস্তারিতভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
আরজেএসসি থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর কোম্পানিটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করবে। এরপর ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন পেলে নতুন প্রতিষ্ঠানটি প্রধান কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক emphasises করেছে, এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও আইনানুগভাবে সম্পন্ন হবে। একই সঙ্গে, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের জন্য মানবিক
এ বিষয়ে মুখপাত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, “সেটি কেবল একটি আর্থিক প্রক্রিয়া নয়, বরং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও দেশের ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতার প্রতিফলন।”










