প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবরের অপেক্ষা শেষ হওয়ার পথে
- Update Time : ০৯:২০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
- / ১৭৯ Time View

দেশে বর্তমানে ৬৫,৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার শিক্ষক কর্মরত আছেন। শিক্ষকদের দীর্ঘ দিনের দাবি ও প্রতীক্ষার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২৪ এপ্রিল এক গুরুত্বপূর্ণ আদেশে ঘোষণা করেছে যে, প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে এবং সহকারী শিক্ষকদের বেতন ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোহাম্মদ শামসুজ্জামান সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, “আমরা প্রধান শিক্ষকদের জন্য ইতিমধ্যেই ১০ম গ্রেডের ঘোষণা করেছি এবং তার বাস্তবায়নের কাজও শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই এটি কার্যকর হবে। এছাড়া, সহকারী শিক্ষক যারা বর্তমানে কর্মরত, তাঁদের ১১তম গ্রেডের জন্য মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। পে কমিশনেও এটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।”
যদিও এটি শিক্ষক সম্প্রদায়ের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ, কিন্তু সহকারী শিক্ষকেরা এখনও সম্পূর্ণভাবে সন্তুষ্ট নন। তাঁদের দাবি, প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডে উন্নীত করার ফলে সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে তারা গ্রেড উন্নয়নের দাবিতে সরব হয়ে উঠেছেন।
মহাপরিচালকের বক্তব্যের পরও কাঙ্ক্ষিত ১০ম গ্রেড না পাওয়ায় সহকারী শিক্ষকরা আবারও আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’ নামে একটি মোর্চা গঠন করেছেন। এই মোর্চার মাধ্যমে আগামী শনিবার, ৮ নভেম্বর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তারা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করবেন।
শিক্ষকদের মূল দাবিগুলো হলো:
- ১০ম গ্রেডে বেতন নির্ধারণ
- ১০ ও ১৬ বছরের পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেডের সমস্যা সমাধান
- শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি নিশ্চিত করা
শিক্ষক সম্প্রদায়ের এ দাবিগুলো বাস্তবায়ন হলে তারা আর্থিকভাবে স্থিতিশীল হবেন এবং দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। তবে, যদি মন্ত্রণালয় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়, তবে আন্দোলন আরও তীব্র রূপ নিতে পারে।










