সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার নির্দেশে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আরিফুল হক চৌধুরী

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:৩৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১১৫ Time View

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজ বাসায় ডেকে এনে সিলেটের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে সিলেট-৪ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করেছেন। বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও। বৈঠকের এক পর্যায়ে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সরাসরি নির্দেশ দেন যে, আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-৪ আসন থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, “দলের চেয়ারপারসনের নির্দেশ আমার কাছে সর্বোচ্চ। আমি কখনোই তার কথা অমান্য করিনি, করবোও না। তিনি যেমন বলেছেন, আমি তেমনই করবো। সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে লড়বো—সবই আল্লাহর ইচ্ছা।” তিনি আরও বলেন, “বেগম জিয়া শুধু দলের নয়, আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। অতীতেও দলের প্রয়োজনে আমি তার নির্দেশ পালন করেছি, এবারও করবো।”

এর আগে মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) জরুরি ডাকে ঢাকায় যান আরিফুল হক চৌধুরী। সেখানে তাকে নিয়ে একাধিক দফায় আলোচনা হয়। সর্বশেষ বুধবার রাত ৯টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন তাকে সরাসরি সাক্ষাতের জন্য ডেকে পাঠান এবং মনোনয়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আরিফুল হক চৌধুরী শুরুতে সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন চান। তিনি মনে করতেন, সেখানকার সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি তার জন্য অনুকূল। কিন্তু বিএনপি হাইকমান্ড সেই আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মুক্তাদিরকে মনোনয়ন দেয়। এরপরই আরিফুলকে ডেকে এনে সিলেট-৪ আসনে দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়।

জীবনী রাজনৈতিক যাত্রা

আরিফুল হক চৌধুরী ১৯৫৯ সালের ২৩ নভেম্বর সিলেট শহরের ঐতিহ্যবাহী কুমারপাড়ার চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুহাম্মদ শফিকুল হক চৌধুরী এবং মাতা আমিনা বেগম। শৈশব থেকেই তিনি সিলেটের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। স্থানীয় স্কুল ও কলেজে শিক্ষালাভের মাধ্যমে তিনি প্রাথমিক পর্যায়েই নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করেন।

তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় স্থানীয় সরকার পর্যায়ে। তিনি প্রথমে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে উন্নয়ন কমিটির প্রধান হন।

২০০৭ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় জরুরি অবস্থায় তিনি যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। একই বছরের জুন মাসে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয় এবং পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশন অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। ২০০৮ সালে আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। তবে ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে তিনি সব অভিযোগ থেকে খালাস পান, যা তার রাজনৈতিক জীবনে নতুন মোড় আনে।

মেয়র হিসেবে দায়িত্ব

২০১৩ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আরিফুল হক চৌধুরী বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমেদ কামরানকে ৩৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নাগরিক অবকাঠামো উন্নয়নে বেশ কিছু উদ্যোগ নেন। তার নেতৃত্বে সাইফুর রহমান শিশু পার্ক, সড়ক উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নগর সৌন্দর্যবর্ধনের নানা প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়।

তবে ২০১৪ সালে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হলে তিনি আবারও রাজনৈতিক সংকটে পড়েন। ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে মেয়র পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের আদেশে তিনি পুনরায় দায়িত্ব ফিরে পান।

২০১৮ সালের সিটি নির্বাচনে তিনি আবারও মেয়র নির্বাচিত হন, যেখানে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থী কামরানকে ৬,১৯৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে তিনি শপথ নেন, যা রাজনৈতিক সহনশীলতার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হয়।

নাগরিক উন্নয়ন সামাজিক ভূমিকা

আরিফুল হক চৌধুরীর মেয়াদকালে সিলেট শহরে পানীয়জল সরবরাহ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও রাস্তা সংস্কারে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়। তিনি সিলেটের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও নগরায়নের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করেছেন। স্থানীয় সরকার, প্রকৌশল বিভাগ ও নাগরিক সংগঠনের সাথে একযোগে কাজ করে তিনি শহর পরিকল্পনায় আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগের চেষ্টা করেন।

ব্যক্তিগত পারিবারিক জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তার স্ত্রী শামা হক চৌধুরীও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। পারিবারিকভাবে তিনি সিলেট অঞ্চলের একটি সম্মানিত ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য।

বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় কমিটির উপদেষ্টা এবং সিলেট মহানগর বিএনপির অন্যতম প্রধান মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরীর মনোনয়ন বিএনপির কৌশলগত একটি পদক্ষেপ। তার স্থানীয় জনপ্রিয়তা, সংগঠনের ওপর প্রভাব এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দলকে মাঠ পর্যায়ে শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বেগম খালেদা জিয়ার সরাসরি নির্দেশে মনোনয়ন পাওয়া আরিফুল হক চৌধুরীর জন্য এটি একদিকে যেমন রাজনৈতিক স্বীকৃতি, তেমনি দলের প্রতি তার দীর্ঘদিনের আনুগত্যের পুরস্কারও বটে। এখন সিলেট-৪ আসনে তার প্রার্থীতা নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

খালেদা জিয়ার নির্দেশে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আরিফুল হক চৌধুরী

Update Time : ০৯:৩৯:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজ বাসায় ডেকে এনে সিলেটের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে সিলেট-৪ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করেছেন। বুধবার (৫ নভেম্বর) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও। বৈঠকের এক পর্যায়ে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সরাসরি নির্দেশ দেন যে, আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-৪ আসন থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, “দলের চেয়ারপারসনের নির্দেশ আমার কাছে সর্বোচ্চ। আমি কখনোই তার কথা অমান্য করিনি, করবোও না। তিনি যেমন বলেছেন, আমি তেমনই করবো। সিলেট-৪ আসনে প্রার্থী হিসেবে লড়বো—সবই আল্লাহর ইচ্ছা।” তিনি আরও বলেন, “বেগম জিয়া শুধু দলের নয়, আমাদের জাতীয় মুরুব্বী। অতীতেও দলের প্রয়োজনে আমি তার নির্দেশ পালন করেছি, এবারও করবো।”

এর আগে মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) জরুরি ডাকে ঢাকায় যান আরিফুল হক চৌধুরী। সেখানে তাকে নিয়ে একাধিক দফায় আলোচনা হয়। সর্বশেষ বুধবার রাত ৯টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন তাকে সরাসরি সাক্ষাতের জন্য ডেকে পাঠান এবং মনোনয়নের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আরিফুল হক চৌধুরী শুরুতে সিলেট-১ আসনে মনোনয়ন চান। তিনি মনে করতেন, সেখানকার সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি তার জন্য অনুকূল। কিন্তু বিএনপি হাইকমান্ড সেই আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মুক্তাদিরকে মনোনয়ন দেয়। এরপরই আরিফুলকে ডেকে এনে সিলেট-৪ আসনে দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়।

জীবনী রাজনৈতিক যাত্রা

আরিফুল হক চৌধুরী ১৯৫৯ সালের ২৩ নভেম্বর সিলেট শহরের ঐতিহ্যবাহী কুমারপাড়ার চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মুহাম্মদ শফিকুল হক চৌধুরী এবং মাতা আমিনা বেগম। শৈশব থেকেই তিনি সিলেটের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। স্থানীয় স্কুল ও কলেজে শিক্ষালাভের মাধ্যমে তিনি প্রাথমিক পর্যায়েই নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করেন।

তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় স্থানীয় সরকার পর্যায়ে। তিনি প্রথমে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে উন্নয়ন কমিটির প্রধান হন।

২০০৭ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় জরুরি অবস্থায় তিনি যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। একই বছরের জুন মাসে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয় এবং পরবর্তীতে দুর্নীতি দমন কমিশন অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করে। ২০০৮ সালে আদালত তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। তবে ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে তিনি সব অভিযোগ থেকে খালাস পান, যা তার রাজনৈতিক জীবনে নতুন মোড় আনে।

মেয়র হিসেবে দায়িত্ব

২০১৩ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আরিফুল হক চৌধুরী বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমেদ কামরানকে ৩৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নাগরিক অবকাঠামো উন্নয়নে বেশ কিছু উদ্যোগ নেন। তার নেতৃত্বে সাইফুর রহমান শিশু পার্ক, সড়ক উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন ও নগর সৌন্দর্যবর্ধনের নানা প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়।

তবে ২০১৪ সালে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হলে তিনি আবারও রাজনৈতিক সংকটে পড়েন। ওই মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে মেয়র পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে আদালতের আদেশে তিনি পুনরায় দায়িত্ব ফিরে পান।

২০১৮ সালের সিটি নির্বাচনে তিনি আবারও মেয়র নির্বাচিত হন, যেখানে তিনি আওয়ামী লীগ প্রার্থী কামরানকে ৬,১৯৬ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে তিনি শপথ নেন, যা রাজনৈতিক সহনশীলতার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হয়।

নাগরিক উন্নয়ন সামাজিক ভূমিকা

আরিফুল হক চৌধুরীর মেয়াদকালে সিলেট শহরে পানীয়জল সরবরাহ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও রাস্তা সংস্কারে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়। তিনি সিলেটের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও নগরায়নের ভারসাম্য রক্ষায় কাজ করেছেন। স্থানীয় সরকার, প্রকৌশল বিভাগ ও নাগরিক সংগঠনের সাথে একযোগে কাজ করে তিনি শহর পরিকল্পনায় আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগের চেষ্টা করেন।

ব্যক্তিগত পারিবারিক জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। তার স্ত্রী শামা হক চৌধুরীও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। পারিবারিকভাবে তিনি সিলেট অঞ্চলের একটি সম্মানিত ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য।

বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় কমিটির উপদেষ্টা এবং সিলেট মহানগর বিএনপির অন্যতম প্রধান মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিলেট-৪ আসনে আরিফুল হক চৌধুরীর মনোনয়ন বিএনপির কৌশলগত একটি পদক্ষেপ। তার স্থানীয় জনপ্রিয়তা, সংগঠনের ওপর প্রভাব এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দলকে মাঠ পর্যায়ে শক্তিশালী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বেগম খালেদা জিয়ার সরাসরি নির্দেশে মনোনয়ন পাওয়া আরিফুল হক চৌধুরীর জন্য এটি একদিকে যেমন রাজনৈতিক স্বীকৃতি, তেমনি দলের প্রতি তার দীর্ঘদিনের আনুগত্যের পুরস্কারও বটে। এখন সিলেট-৪ আসনে তার প্রার্থীতা নিয়ে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।