সেনা সদর দপ্তর আইন প্রয়োগ না করা পর্যন্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তা কর্মরত: প্রসিকিউটর
- Update Time : ০৫:০৩:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
- / ১৫৪ Time View

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিনটি মামলার আসামি ২৫ সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জন এখনও চাকরিতে আছেন। এই তথ্য জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজি মোনাওয়ার হুসাইন তামীম।
রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন বলেন, “আইনের দিক থেকে যেটা বলা আছে, সেটাই ব্যাখ্যা। এখন সেনা সদর দপ্তরই সিদ্ধান্ত নেবে কখন এই আইন তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করবে। যতক্ষণ তা প্রয়োগ হয়নি, ততক্ষণ তাদের কর্মরত বলা যেতে পারে।”
এক সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, ‘আপনি বলছেন এই কর্মকর্তারা কর্মরত। কিন্তু সংশোধিত আইন অনুযায়ী, ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলেই চাকরি থাকা উচিত নয়। তাহলে আসামিদের চাকরিচ্যুত কি, না এখনও কর্মরত?’ জবাবে প্রসিকিউটর এ ব্যাখ্যা দেন।
মামলা তিনটির মধ্যে দুটি মামলায় আসামিরা অভিযুক্ত হয়েছেন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম-নির্যাতনের মাধ্যমে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায়। আরেকটি মামলা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা ও বনশ্রী এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ জন এখনো কর্মরত, ১ জন অবসরোত্তর ছুটিতে (LPAR) আছেন এবং ৯ জন সেনা কর্মকর্তা অবসরে রয়েছেন।
এছাড়া, সেনা কর্মকর্তাদের হাজিরার দিনও পরিবর্তিত হয়েছে। প্রসিকিউটর মোনাওয়ার হুসাইন জানান, মামলার পরবর্তী তারিখ ছিল ২০ নভেম্বর। তবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আজ তারিখ পরিবর্তনের জন্য আবেদন করা হয়, যা মঞ্জুর হয়। নতুন নির্ধারিত তারিখ হলো ২৩ নভেম্বর। প্রসিকিউশনের নিজস্ব জটিলতার কারণে এই সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো










