সময়: রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংস্কার অনুমোদনের পর সংবিধানের নাম পরিবর্তনের দাবি এনসিপির: ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’ নামে নতুন অধ্যায়ের প্রস্তাব

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৭:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১৬১ Time View

NCP WEB

NCP WEB

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়ে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও আইনি ভিত্তি নিয়ে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি কমিশনের কাছে নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দিয়েছে—সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংস্কারগুলো অনুমোদন করার পর দেশের সংবিধানের নাম পরিবর্তন করে “বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬” ঘোষণা করতে হবে। একইসঙ্গে সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের এই নতুন সংবিধানের অধীনে পুনরায় শপথ নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে এনসিপি।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের এলডি হলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপির পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাবেদ রাসিন, খালেদ সাইফুল্লাহ এবং যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মুসা। ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি আলী রীয়াজ, সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান, মো. এমদাদুল হক এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

এনসিপির আগ্রহে আয়োজিত এই বৈঠকে দলটি কমিশনের কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া বা মূল কনটেন্ট দেখতে চায়। কমিশন জানায়, এখনো তা চূড়ান্ত হয়নি এবং কাজ চলমান। এনসিপি দাবি করে, কমিশন যখন সরকারকে সুপারিশ দেবে, তখন সেই প্রস্তাবের একটি কপি এনসিপিকেও সরবরাহ করা উচিত। তবে কমিশন এ বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে খসড়া প্রণয়নে কাজ করছে এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছে। খুব দ্রুতই বাস্তবায়ন আদেশের চূড়ান্ত খসড়া তৈরি হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করে।

এনসিপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ প্রথম আলোকে জানান, তাঁরা বৈঠকে পরবর্তী সংসদের দ্বৈত ভূমিকা—বিধানসভা ও সংস্কারসভা হিসেবে কার্যকর করার প্রস্তাব পুনরায় ব্যাখ্যা করেছেন। এর আগে দেওয়া প্রস্তাবগুলোও বিস্তারিতভাবে কমিশনের সামনে তুলে ধরেন।

আদেশ না দেখে স্বাক্ষর নয়—এনসিপির অবস্থান

গত ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি এনসিপি। দলের যুক্তি ছিল—সনদের কোনো আইনি ভিত্তি নিশ্চিত হয়নি। এ কারণে তারা সনদে স্বাক্ষর করতে রাজি হয়নি। দলটি জানায়, গণতান্ত্রিক বৈধতা নিশ্চিত না করে কেবল রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল স্বাক্ষর করা তাদের নীতির সঙ্গে যায় না।

এই প্রেক্ষাপটে কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে এনসিপিকে সনদে স্বাক্ষর করার অনুরোধ জানানো হলে দলটি আগের অবস্থানেই অনড় থাকে। এনসিপির বক্তব্য, তারা বাস্তবায়ন আদেশের রূপরেখা দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নেবে সই করবে কি না।

তাদের আরও দাবি—রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পরিবর্তে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করতে হবে, যাতে এর বৈধতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এনসিপির প্রস্তাবিত কাঠামো

এনসিপি তাদের বক্তব্যে তুলে ধরে যে, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আদেশ গণ-অভ্যুত্থানের ভিত্তিতে জারি হতে হবে। এরপর সেই আদেশের অধীনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, যাতে জনগণ সরাসরি মতামত দিয়ে সনদকে গণভিত্তি দেয়। ফলাফল অনুযায়ী, নতুন সংসদ সংস্কারমুখী ও গঠনমূলক ক্ষমতা পাবে—যা বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সাংবিধানিক কাঠামো তৈরি করবে।

দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, “আমরা চাই ভবিষ্যৎ সংসদ সংবিধান সংস্কার সভা হিসেবে কাজ করুক। সংস্কারগুলো অনুমোদনের পর সেটিই হবে নতুন সংবিধান—‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’। এতে দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং অতীতের ত্রুটি দূর হবে।”

তিনি আরও বলেন, “নতুন সংবিধান প্রণয়নের পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনারসহ সব সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের পুনরায় শপথ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে গণমানুষের সামনে তাদের দায়বদ্ধতা ও বৈধতা স্পষ্ট হয়।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এনসিপির প্রস্তাবটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে। কারণ, ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন পর থেকে দেশটি একাধিক সংশোধনের মধ্য দিয়ে গেলেও, কোনো সময় পুরোপুরি নতুন সংবিধানের কথা তোলা হয়নি। “বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬” নামে নতুন দলিলের দাবি মূলত এক প্রজন্মান্তরের সংস্কার-ভাবনার প্রতিফলন বলেও অনেকে মনে করছেন।

তবে সমালোচকরা বলছেন, সংবিধানের নাম পরিবর্তন একটি সংবেদনশীল বিষয়, যা রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। এর জন্য সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন, জাতীয় গণভোট এবং উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ অপরিহার্য।

এনসিপির এই প্রস্তাব বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একদিকে দলটি সাংবিধানিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি নতুন যুগের সূচনা করতে চায়, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে—বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে এমন একটি ঐক্যমত কি আদৌ সম্ভব? জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ এবং “বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬”-এর সম্ভাবনা এখন নির্ভর করছে ঐকমত্য কমিশনের চূড়ান্ত খসড়া ও জনগণের প্রতিক্রিয়ার ওপর।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সংস্কার অনুমোদনের পর সংবিধানের নাম পরিবর্তনের দাবি এনসিপির: ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’ নামে নতুন অধ্যায়ের প্রস্তাব

Update Time : ০৭:৩৮:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

NCP WEB

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়ে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও আইনি ভিত্তি নিয়ে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি কমিশনের কাছে নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দিয়েছে—সংবিধান সংস্কার পরিষদ সংস্কারগুলো অনুমোদন করার পর দেশের সংবিধানের নাম পরিবর্তন করে “বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬” ঘোষণা করতে হবে। একইসঙ্গে সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের এই নতুন সংবিধানের অধীনে পুনরায় শপথ নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে এনসিপি।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের এলডি হলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপির পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, জাবেদ রাসিন, খালেদ সাইফুল্লাহ এবং যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মুসা। ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সহসভাপতি আলী রীয়াজ, সদস্য বদিউল আলম মজুমদার, ইফতেখারুজ্জামান, মো. এমদাদুল হক এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

এনসিপির আগ্রহে আয়োজিত এই বৈঠকে দলটি কমিশনের কাছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া বা মূল কনটেন্ট দেখতে চায়। কমিশন জানায়, এখনো তা চূড়ান্ত হয়নি এবং কাজ চলমান। এনসিপি দাবি করে, কমিশন যখন সরকারকে সুপারিশ দেবে, তখন সেই প্রস্তাবের একটি কপি এনসিপিকেও সরবরাহ করা উচিত। তবে কমিশন এ বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দেয়নি।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে খসড়া প্রণয়নে কাজ করছে এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছে। খুব দ্রুতই বাস্তবায়ন আদেশের চূড়ান্ত খসড়া তৈরি হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করে।

এনসিপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ প্রথম আলোকে জানান, তাঁরা বৈঠকে পরবর্তী সংসদের দ্বৈত ভূমিকা—বিধানসভা ও সংস্কারসভা হিসেবে কার্যকর করার প্রস্তাব পুনরায় ব্যাখ্যা করেছেন। এর আগে দেওয়া প্রস্তাবগুলোও বিস্তারিতভাবে কমিশনের সামনে তুলে ধরেন।

আদেশ না দেখে স্বাক্ষর নয়—এনসিপির অবস্থান

গত ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি এনসিপি। দলের যুক্তি ছিল—সনদের কোনো আইনি ভিত্তি নিশ্চিত হয়নি। এ কারণে তারা সনদে স্বাক্ষর করতে রাজি হয়নি। দলটি জানায়, গণতান্ত্রিক বৈধতা নিশ্চিত না করে কেবল রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল স্বাক্ষর করা তাদের নীতির সঙ্গে যায় না।

এই প্রেক্ষাপটে কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে এনসিপিকে সনদে স্বাক্ষর করার অনুরোধ জানানো হলে দলটি আগের অবস্থানেই অনড় থাকে। এনসিপির বক্তব্য, তারা বাস্তবায়ন আদেশের রূপরেখা দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নেবে সই করবে কি না।

তাদের আরও দাবি—রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পরিবর্তে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করতে হবে, যাতে এর বৈধতা ও নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে এনসিপির প্রস্তাবিত কাঠামো

এনসিপি তাদের বক্তব্যে তুলে ধরে যে, জুলাই সনদের বাস্তবায়ন আদেশ গণ-অভ্যুত্থানের ভিত্তিতে জারি হতে হবে। এরপর সেই আদেশের অধীনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, যাতে জনগণ সরাসরি মতামত দিয়ে সনদকে গণভিত্তি দেয়। ফলাফল অনুযায়ী, নতুন সংসদ সংস্কারমুখী ও গঠনমূলক ক্ষমতা পাবে—যা বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সাংবিধানিক কাঠামো তৈরি করবে।

দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মুসা বলেন, “আমরা চাই ভবিষ্যৎ সংসদ সংবিধান সংস্কার সভা হিসেবে কাজ করুক। সংস্কারগুলো অনুমোদনের পর সেটিই হবে নতুন সংবিধান—‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’। এতে দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে এবং অতীতের ত্রুটি দূর হবে।”

তিনি আরও বলেন, “নতুন সংবিধান প্রণয়নের পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনারসহ সব সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের পুনরায় শপথ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে গণমানুষের সামনে তাদের দায়বদ্ধতা ও বৈধতা স্পষ্ট হয়।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এনসিপির প্রস্তাবটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে। কারণ, ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন পর থেকে দেশটি একাধিক সংশোধনের মধ্য দিয়ে গেলেও, কোনো সময় পুরোপুরি নতুন সংবিধানের কথা তোলা হয়নি। “বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬” নামে নতুন দলিলের দাবি মূলত এক প্রজন্মান্তরের সংস্কার-ভাবনার প্রতিফলন বলেও অনেকে মনে করছেন।

তবে সমালোচকরা বলছেন, সংবিধানের নাম পরিবর্তন একটি সংবেদনশীল বিষয়, যা রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। এর জন্য সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন, জাতীয় গণভোট এবং উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ অপরিহার্য।

এনসিপির এই প্রস্তাব বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। একদিকে দলটি সাংবিধানিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি নতুন যুগের সূচনা করতে চায়, অন্যদিকে প্রশ্ন উঠছে—বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে এমন একটি ঐক্যমত কি আদৌ সম্ভব? জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ এবং “বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬”-এর সম্ভাবনা এখন নির্ভর করছে ঐকমত্য কমিশনের চূড়ান্ত খসড়া ও জনগণের প্রতিক্রিয়ার ওপর।