জুলাই সনদের খসড়া প্রত্যাখ্যান এনসিপির, সুনির্দিষ্ট আলোচনা ও আইনগত ভিত্তির দাবি
- Update Time : ০৫:৪১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
- / ১২৮ Time View

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ফরেন সার্ভিস একাডেমি জুলাই সনদের খসড়া প্রত্যাখ্যান এনসিপির, সুনির্দিষ্ট আলোচনা ও আইনগত ভিত্তির দাবি
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের ২১তম দিনের সংলাপের বিরতিতে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, এনসিপি জুলাই সনদের হঠাৎ প্রকাশিত খসড়া গ্রহণ করবে না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কমিশন ছয়টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতির কথা বললেও, সে বিষয়ে কোন আলোচনা না করেই হঠাৎ করে খসড়া প্রকাশ করেছে। এই কাজ একেবারেই সঠিক হয়নি এবং আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি।”
জাভেদ রাসিন জানান, এনসিপি শুরু থেকেই বলে আসছে—যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ন্যূনতম ঐকমত্য হয়েছে, তার আইনগত ভিত্তি নির্বাচনের আগেই গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, “আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছি, নির্বাচনের আগে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোকে আইন ও নীতিমালায় পরিণত করতে হবে এবং সেই ভিত্তির ওপরই পরবর্তী সংসদ নির্বাচন হতে হবে। নয়তো এই সনদ কেবল কাগুজে আশ্বাস হয়েই থাকবে।”
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত আলোচনায় সম্প্রতি ‘র্যাংক চয়েস’ পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। এই পদ্ধতির আলোকে আজকের সংলাপে বিচার বিভাগ থেকে আরও দুই সদস্যকে যুক্ত করে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি নির্বাচন-তত্ত্বাবধান কমিটি গঠনের প্রস্তাব এসেছে, যারা বিভিন্ন বিকল্পের পক্ষে ভোট দেবেন। জাভেদ বলেন, “আমরা এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছি। আমাদের মতে, এই পদ্ধতি স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্তে সহায়ক হবে। প্রায় সব রাজনৈতিক দল এই বিষয়ে একমত হয়েছে, শুধুমাত্র বিএনপি ও তাদের কয়েকটি সহযোগী দল ছাড়া।”
জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এনসিপির অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “আমরা জানিয়ে দিয়েছি, যেসব মৌলিক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কার ছাড়া রাষ্ট্র থেকে ফ্যাসিবাদী কাঠামো দূর করা সম্ভব নয়, সেগুলোর বিষয়ে বাস্তবায়নযোগ্য নিশ্চয়তা না পাওয়া গেলে জুলাই সনদে সই করা হবে কি না, তা আমাদের দলের কেন্দ্রীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই খসড়ার মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন তাদের নিজস্ব দায় এড়াতে চাইছে। এটি কোনো অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতির প্রতিফলন নয়, বরং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা।”
জাভেদ রাসিনের বক্তব্যে বোঝা যায়, এনসিপি চাইছে রাজনৈতিক সংস্কার হোক কার্যকর ও আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়ে। কেবল কাগুজে সনদ দিয়ে কিংবা চূড়ান্ত আলোচনা না করেই খসড়া প্রকাশ করলে জনগণের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়। “আমরা চাই সত্যিকারের জাতীয় ঐকমত্য, যা ফ্যাসিবাদ নয়, জনগণের স্বাধীন মত প্রকাশের ভিত্তিতে গঠিত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলবে”—এই বার্তা দিয়েই শেষ করেন তিনি।
তে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের ২১তম দিনের সংলাপের বিরতিতে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, এনসিপি জুলাই সনদের হঠাৎ প্রকাশিত খসড়া গ্রহণ করবে না। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কমিশন ছয়টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতির কথা বললেও, সে বিষয়ে কোন আলোচনা না করেই হঠাৎ করে খসড়া প্রকাশ করেছে। এই কাজ একেবারেই সঠিক হয়নি এবং আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি।”
জাভেদ রাসিন জানান, এনসিপি শুরু থেকেই বলে আসছে—যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ন্যূনতম ঐকমত্য হয়েছে, তার আইনগত ভিত্তি নির্বাচনের আগেই গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, “আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছি, নির্বাচনের আগে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোকে আইন ও নীতিমালায় পরিণত করতে হবে এবং সেই ভিত্তির ওপরই পরবর্তী সংসদ নির্বাচন হতে হবে। নয়তো এই সনদ কেবল কাগুজে আশ্বাস হয়েই থাকবে।”
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত আলোচনায় সম্প্রতি ‘র্যাংক চয়েস’ পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি। এই পদ্ধতির আলোকে আজকের সংলাপে বিচার বিভাগ থেকে আরও দুই সদস্যকে যুক্ত করে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি নির্বাচন-তত্ত্বাবধান কমিটি গঠনের প্রস্তাব এসেছে, যারা বিভিন্ন বিকল্পের পক্ষে ভোট দেবেন। জাভেদ বলেন, “আমরা এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছি। আমাদের মতে, এই পদ্ধতি স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্তে সহায়ক হবে। প্রায় সব রাজনৈতিক দল এই বিষয়ে একমত হয়েছে, শুধুমাত্র বিএনপি ও তাদের কয়েকটি সহযোগী দল ছাড়া।”
জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এনসিপির অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “আমরা জানিয়ে দিয়েছি, যেসব মৌলিক রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কার ছাড়া রাষ্ট্র থেকে ফ্যাসিবাদী কাঠামো দূর করা সম্ভব নয়, সেগুলোর বিষয়ে বাস্তবায়নযোগ্য নিশ্চয়তা না পাওয়া গেলে জুলাই সনদে সই করা হবে কি না, তা আমাদের দলের কেন্দ্রীয় ফোরামে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
তিনি আরও বলেন, “এই খসড়ার মাধ্যমে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন তাদের নিজস্ব দায় এড়াতে চাইছে। এটি কোনো অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতির প্রতিফলন নয়, বরং একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা।”
জাভেদ রাসিনের বক্তব্যে বোঝা যায়, এনসিপি চাইছে রাজনৈতিক সংস্কার হোক কার্যকর ও আইনি কাঠামোর মধ্য দিয়ে। কেবল কাগুজে সনদ দিয়ে কিংবা চূড়ান্ত আলোচনা না করেই খসড়া প্রকাশ করলে জনগণের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়। “আমরা চাই সত্যিকারের জাতীয় ঐকমত্য, যা ফ্যাসিবাদ নয়, জনগণের স্বাধীন মত প্রকাশের ভিত্তিতে গঠিত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলবে”—এই বার্তা দিয়েই শেষ করেন তিনি।










