সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের হাতিয়ার বানানো হচ্ছে: বিএনপি

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৫:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / ১৬৯ Time View

bnp 20250714123532

bnp 20250714123532

মিটফোর্ডে সংঘটিত লালচাঁদ সোহাগ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার (১৪ জুলাই) গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ তোলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “মিটফোর্ডের এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার গভীর ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কুমিল্লার মুরাদনগরে একযোগে সংঘটিত তিনটি হত্যাকাণ্ড, ইমাম হত্যা কিংবা খুলনায় যুবদল নেতাকে নির্মমভাবে খুন ও রগ কেটে ফেলা—এই ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে সকল মহলের প্রতিবাদ ছিল কি না, সেটাও প্রশ্নের বিষয়।” তিনি অভিযোগ করেন, “মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে অজুহাত করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে একটি গোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।”

তিনি জানান, দলীয়ভাবে এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত, ন্যায়বিচার এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান দৃঢ় ও সুস্পষ্ট। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে একটি নিরপেক্ষ ‘তদন্ত ও তথ্যানুসন্ধানী কমিটি’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যারা সত্য উদঘাটন করে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন।”

ফখরুল বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বা সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ নেই—এমন ব্যক্তিদের দলের পক্ষ থেকে আজীবন বহিষ্কারের মতো কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “ভুক্তভোগী পরিবার থেকেও মামলা সংক্রান্ত অসঙ্গতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে বলা হয়েছে, এজহারভুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে তাদের কোনো অভিযোগই ছিল না।”

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, “এ পর্যন্ত প্রকৃত খুনিদের সনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বরং যারা সম্পূর্ণ নির্দোষ, তাদের নামে মামলা দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা হচ্ছে।” তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, “ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করুন।”

তিনি বলেন, “দলীয়ভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়া সত্ত্বেও একটি বিশেষ মহল বিএনপি এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপমান এবং চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এসব ঘটনার পেছনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র থাকতে পারে—এমন সন্দেহ এখন আর অমূলক নয়।”

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যেখানে ঘটনাস্থল ছিল জনাকীর্ণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকটবর্তী, সেখানে এতবড় হত্যাকাণ্ড কেন রোধ করা গেল না? ভিডিও ধারণও হয়েছে বাধা ছাড়াই—যা স্পষ্টতই প্রমাণ করে এটি ছিল পরিকল্পিত এবং পূর্বপ্রস্তুত অপারেশন।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “এক বছর আগেই আমরা দেখেছি জনগণের গণঅভ্যুত্থান কীভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল। আজকে সেই ঐতিহাসিক চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বর্তমান সরকার ও তার অনুসারীরা আবারও জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।”

তিনি আরও বলেন, “অপপ্রচার চালাতে কিছু নির্বাচিত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে ৯ জুলাইয়ের ঘটনা সম্পর্কে পরিকল্পিত ফটোকার্ড ও ভিডিও ১১ জুলাই জুমার নামাজের পর প্রচার করা শুরু হয়। এই ঘটনাগুলোর মধ্য দিয়ে প্রতীয়মান হয়, এটি ছিল একটি প্রি-মেড মিডিয়া ক্যাম্পেইন। এটি গণতন্ত্রবিনাশী দানবীয় প্রচারণার অংশ।”

বিএনপি মহাসচিব স্পষ্ট করেন, “আমরা অপরাধীর জন্য কোনো সহানুভূতি দেখাই না। যারা দায়ী, তারা যে দলেরই হোক, তাদের শাস্তি নিশ্চিত হোক। শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে বহিষ্কার করে আমরা উদাহরণ সৃষ্টি করেছি, অথচ তার প্রশংসা না করে চরিত্রহননের পথে হাটছে শাসকগোষ্ঠী।”

তিনি বলেন, “নিহত সোহাগ কোন দলের ছিল তা বড় নয়, সে ছিল একজন নাগরিক এবং হত্যার শিকার। তাই তার পরিবারকে আইন সহায়তা দেওয়া এবং খুনিদের বিচার দাবি করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

ফখরুল বলেন, “আমরা লজ্জিত যখন দেখি বিকৃত রুচির কিছু মানুষ কোমলমতি শিশুদের মুখে অশ্লীল স্লোগান তুলে দিচ্ছে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিকতা ধ্বংস করে এই ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের দুষ্কর্ম বাস্তবায়ন করতে চায়।”

তিনি বলেন, “জনগণের সঙ্গে একত্রিত হয়ে বাংলাদেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সংগ্রামে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। বিগত ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামে অর্জিত জনসমর্থন ও সাফল্যকে বিতর্কিত করতে চাওয়া এই কুৎসিত অপপ্রয়াস ব্যর্থ হবেই।”

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, “আমাদের নেত্রী একজন ব্যক্তি নন, তিনি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার প্রতীক। তার বিরুদ্ধে যারা অশ্লীল ভাষায় কথা বলছে, তারা গণতন্ত্রের শত্রু।”

তিনি বলেন, “আজ স্পষ্ট হয়েছে, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে থাকা শক্তিকে আঘাত করতেই এই ফ্যাসিবাদী অপচেষ্টা। ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে, এবার তাদের প্রতিহত করার সময় এসেছে।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে যারা বাধা সৃষ্টি করছে, তাদের দায় তারা এড়াতে পারবে না। রাজনৈতিক ভদ্রতা বিসর্জন দিয়ে যে ফ্যাসিবাদী প্রচারণা শুরু হয়েছে, তা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ—ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের হাতিয়ার বানানো হচ্ছে: বিএনপি

Update Time : ০৫:৪৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

bnp 20250714123532

মিটফোর্ডে সংঘটিত লালচাঁদ সোহাগ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি বাস্তবায়নের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার (১৪ জুলাই) গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লিখিত বক্তব্যে এ অভিযোগ তোলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “মিটফোর্ডের এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করে তোলার গভীর ষড়যন্ত্রের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কুমিল্লার মুরাদনগরে একযোগে সংঘটিত তিনটি হত্যাকাণ্ড, ইমাম হত্যা কিংবা খুলনায় যুবদল নেতাকে নির্মমভাবে খুন ও রগ কেটে ফেলা—এই ঘটনাগুলোর বিরুদ্ধে সকল মহলের প্রতিবাদ ছিল কি না, সেটাও প্রশ্নের বিষয়।” তিনি অভিযোগ করেন, “মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডকে অজুহাত করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে একটি গোষ্ঠী সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।”

তিনি জানান, দলীয়ভাবে এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত, ন্যায়বিচার এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান দৃঢ় ও সুস্পষ্ট। তিনি বলেন, “আমরা ইতোমধ্যে একটি নিরপেক্ষ ‘তদন্ত ও তথ্যানুসন্ধানী কমিটি’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যারা সত্য উদঘাটন করে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন।”

ফখরুল বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না বা সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ নেই—এমন ব্যক্তিদের দলের পক্ষ থেকে আজীবন বহিষ্কারের মতো কঠোর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” তিনি বলেন, “ভুক্তভোগী পরিবার থেকেও মামলা সংক্রান্ত অসঙ্গতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে বলা হয়েছে, এজহারভুক্ত তিনজনের বিরুদ্ধে তাদের কোনো অভিযোগই ছিল না।”

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, “এ পর্যন্ত প্রকৃত খুনিদের সনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বরং যারা সম্পূর্ণ নির্দোষ, তাদের নামে মামলা দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা হচ্ছে।” তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, “ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করুন।”

তিনি বলেন, “দলীয়ভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়া সত্ত্বেও একটি বিশেষ মহল বিএনপি এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপমান এবং চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এসব ঘটনার পেছনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র থাকতে পারে—এমন সন্দেহ এখন আর অমূলক নয়।”

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যেখানে ঘটনাস্থল ছিল জনাকীর্ণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকটবর্তী, সেখানে এতবড় হত্যাকাণ্ড কেন রোধ করা গেল না? ভিডিও ধারণও হয়েছে বাধা ছাড়াই—যা স্পষ্টতই প্রমাণ করে এটি ছিল পরিকল্পিত এবং পূর্বপ্রস্তুত অপারেশন।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “এক বছর আগেই আমরা দেখেছি জনগণের গণঅভ্যুত্থান কীভাবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিল। আজকে সেই ঐতিহাসিক চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বর্তমান সরকার ও তার অনুসারীরা আবারও জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।”

তিনি আরও বলেন, “অপপ্রচার চালাতে কিছু নির্বাচিত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে ৯ জুলাইয়ের ঘটনা সম্পর্কে পরিকল্পিত ফটোকার্ড ও ভিডিও ১১ জুলাই জুমার নামাজের পর প্রচার করা শুরু হয়। এই ঘটনাগুলোর মধ্য দিয়ে প্রতীয়মান হয়, এটি ছিল একটি প্রি-মেড মিডিয়া ক্যাম্পেইন। এটি গণতন্ত্রবিনাশী দানবীয় প্রচারণার অংশ।”

বিএনপি মহাসচিব স্পষ্ট করেন, “আমরা অপরাধীর জন্য কোনো সহানুভূতি দেখাই না। যারা দায়ী, তারা যে দলেরই হোক, তাদের শাস্তি নিশ্চিত হোক। শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে বহিষ্কার করে আমরা উদাহরণ সৃষ্টি করেছি, অথচ তার প্রশংসা না করে চরিত্রহননের পথে হাটছে শাসকগোষ্ঠী।”

তিনি বলেন, “নিহত সোহাগ কোন দলের ছিল তা বড় নয়, সে ছিল একজন নাগরিক এবং হত্যার শিকার। তাই তার পরিবারকে আইন সহায়তা দেওয়া এবং খুনিদের বিচার দাবি করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।”

ফখরুল বলেন, “আমরা লজ্জিত যখন দেখি বিকৃত রুচির কিছু মানুষ কোমলমতি শিশুদের মুখে অশ্লীল স্লোগান তুলে দিচ্ছে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নৈতিকতা ধ্বংস করে এই ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের দুষ্কর্ম বাস্তবায়ন করতে চায়।”

তিনি বলেন, “জনগণের সঙ্গে একত্রিত হয়ে বাংলাদেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সংগ্রামে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। বিগত ১৭ বছরের আন্দোলন সংগ্রামে অর্জিত জনসমর্থন ও সাফল্যকে বিতর্কিত করতে চাওয়া এই কুৎসিত অপপ্রয়াস ব্যর্থ হবেই।”

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, “আমাদের নেত্রী একজন ব্যক্তি নন, তিনি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার প্রতীক। তার বিরুদ্ধে যারা অশ্লীল ভাষায় কথা বলছে, তারা গণতন্ত্রের শত্রু।”

তিনি বলেন, “আজ স্পষ্ট হয়েছে, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে থাকা শক্তিকে আঘাত করতেই এই ফ্যাসিবাদী অপচেষ্টা। ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে, এবার তাদের প্রতিহত করার সময় এসেছে।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে যারা বাধা সৃষ্টি করছে, তাদের দায় তারা এড়াতে পারবে না। রাজনৈতিক ভদ্রতা বিসর্জন দিয়ে যে ফ্যাসিবাদী প্রচারণা শুরু হয়েছে, তা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক।”

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ—ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমেদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।