সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত কোনো আপস নয়।”: হেফাজত মহাসচিব

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:২৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ২১৩ Time View

Het 67979d21c0b86

 

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব, সাজিদুর রহমান সম্প্রতি কুমিল্লা নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত হেফাজতে ইসলাম কুমিল্লা জেলা ও মহানগর কমিটির প্রতিনিধি সম্মেলনে এক উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং তার প্রতি হেফাজতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর দাবি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত কোনো আপস নয়।

এছাড়া তিনি আরো বলেন, ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে আওয়ামী লীগ ওলামায়ে কেরামকে ব্যবহার করেছে, এবং শেখ হাসিনা কুফরি মতবাদে বিশ্বাসী। হেফাজতে ইসলামের অনেক নেতাকর্মী স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় জীবন দিয়েছেন এবং বর্তমানে ভারতের এজেন্টরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে চলেছে, যা দেশের নিরাপত্তা এবং শান্তির জন্য মারাত্মক হুমকি।

মূল বক্তব্য:

  1. শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা: সাজিদুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে “ফ্যাসিস্ট” বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং তিনি দাবি করেন যে শেখ হাসিনা ইসলামের মৌলিক শিক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা কুফরি মতবাদে বিশ্বাসী, যার ফলে হেফাজতের মত ইসলামী সংগঠনগুলো সরকারের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তার মতে, এই শাসক শ্রেণি দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করছে, যা দেশবাসীর জন্য ক্ষতিকর।
  2. আওয়ামী লীগ ধর্মীয় নেতাদের প্রতি ব্যবহার: সাজিদুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাকে স্থিতিশীল করার জন্য ওলামায়ে কেরামকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। তিনি উল্লিখিত করেন যে, আওয়ামী লীগের শাসন কালে ধর্মীয় নেতাদের চুপ করে থাকতে বলা হয়েছে, তবে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে তারা সক্রিয় হয়ে উঠবেন। তাঁর মতে, শেখ হাসিনার সরকার ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করছে এবং এর ফলে দেশের ধর্মীয় সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
  3. স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস এবং হেফাজতের অবদান: সাজিদুর রহমান বলেন, “জুলাই বিপ্লব” বা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় অনেক নিষ্পাপ বাচ্চাদের রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। তার মতে, এই স্বাধীনতা অর্জন করতে হেফাজতে ইসলামের অনেক নেতাকর্মী নিজের জীবন দিয়েছেন। সুতরাং, আজকে যদি দেশের স্বাধীনতা বা ইসলামিক মূল্যবোধের প্রতি কোনো ধরনের হুমকি আসে, তবে তা মোকাবেলা করার জন্য হেফাজতের নেতাকর্মীরা আবারও প্রস্তুত রয়েছে।
  4. ভারতের এজেন্টদের বিরুদ্ধে লড়াই: সাজিদুর রহমান বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “ভারতের এজেন্টরা দেশের ভেতরে চক্রান্ত করছে এবং আমাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধ্বংস করতে চাইছে।” তার মতে, এসব এজেন্টরা বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী প্রভাব দিয়ে বাংলাদেশের ভেতর থেকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হেফাজত ইসলাম প্রস্তুত রয়েছে।
  5. হেফাজতের ভবিষ্যৎ আন্দোলন এবং আপোষহীনতা: সাজিদুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, “শেখ হাসিনার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো আপস করবো না।” এর মাধ্যমে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে হেফাজতের কঠোর অবস্থান এবং তাদের আন্দোলনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছেন। হেফাজত ইসলাম তাদের সংগ্রামকে শুধু রাজনৈতিক না, বরং ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে বিবেচনা করছে। তিনি বলেন, হেফাজত ইসলামের নেতাকর্মীরা দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ইসলামী মূল্যবোধের রক্ষায় আপোষহীন থাকবে।

সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ:

সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা একে অপরের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন:

  • মুফতি শামছুল ইসলাম জিলানী (কুমিল্লা মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক)
  • মাওলানা নুরুল হক (কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা)
  • মাওলানা . রাজ্জাক কাসেমী (কুমিল্লা মহানগর প্রধান উপদেষ্টা)
  • মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী (কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব)
  • মুফতি বশির উল্লাহ (কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক)
  • মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মুফতি মুশতাকুন্নবী কাসেমী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা লোকমান মাজহারী প্রমুখ।

হেফাজতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

হেফাজতে ইসলাম ভবিষ্যতে শক্তিশালী আন্দোলন এবং সংগ্রামের মাধ্যমে তাদের দাবিগুলি বাস্তবায়ন করতে চায়। তারা বাংলাদেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা, ইসলামী মূল্যবোধের অধিকার প্রতিষ্ঠা, এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রতিরোধের জন্য বৃহত্তর জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করবে। সাজিদুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, হেফাজত ইসলাম শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পাশাপাশি, প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পিছপা হবে না।

সরকারের প্রতি আহ্বান:

এছাড়া, তিনি সরকারের প্রতি একটিও বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা এবং তার সরকারের কার্যকলাপের কারণে দেশের ভবিষ্যত হুমকির মুখে পড়েছে। তারা যদি দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার প্রতি আরও অবজ্ঞা প্রকাশ করে, তবে হেফাজত ইসলাম জনগণকে সংগঠিত করে তার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।”

এমনকি সাজিদুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “শেখ হাসিনার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত আপস নয়,” যা হেফাজতের কঠোর মনোভাব এবং সরকারের প্রতি তাদের দাবি আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত কোনো আপস নয়।”: হেফাজত মহাসচিব

Update Time : ০৯:২৬:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

 

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব, সাজিদুর রহমান সম্প্রতি কুমিল্লা নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত হেফাজতে ইসলাম কুমিল্লা জেলা ও মহানগর কমিটির প্রতিনিধি সম্মেলনে এক উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং তার প্রতি হেফাজতের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর দাবি, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত কোনো আপস নয়।

এছাড়া তিনি আরো বলেন, ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে আওয়ামী লীগ ওলামায়ে কেরামকে ব্যবহার করেছে, এবং শেখ হাসিনা কুফরি মতবাদে বিশ্বাসী। হেফাজতে ইসলামের অনেক নেতাকর্মী স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় জীবন দিয়েছেন এবং বর্তমানে ভারতের এজেন্টরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে চলেছে, যা দেশের নিরাপত্তা এবং শান্তির জন্য মারাত্মক হুমকি।

মূল বক্তব্য:

  1. শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা: সাজিদুর রহমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে “ফ্যাসিস্ট” বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং তিনি দাবি করেন যে শেখ হাসিনা ইসলামের মৌলিক শিক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা কুফরি মতবাদে বিশ্বাসী, যার ফলে হেফাজতের মত ইসলামী সংগঠনগুলো সরকারের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তার মতে, এই শাসক শ্রেণি দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করছে, যা দেশবাসীর জন্য ক্ষতিকর।
  2. আওয়ামী লীগ ধর্মীয় নেতাদের প্রতি ব্যবহার: সাজিদুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাকে স্থিতিশীল করার জন্য ওলামায়ে কেরামকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। তিনি উল্লিখিত করেন যে, আওয়ামী লীগের শাসন কালে ধর্মীয় নেতাদের চুপ করে থাকতে বলা হয়েছে, তবে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে তারা সক্রিয় হয়ে উঠবেন। তাঁর মতে, শেখ হাসিনার সরকার ইসলামী মূল্যবোধের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করছে এবং এর ফলে দেশের ধর্মীয় সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
  3. স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস এবং হেফাজতের অবদান: সাজিদুর রহমান বলেন, “জুলাই বিপ্লব” বা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় অনেক নিষ্পাপ বাচ্চাদের রক্তের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। তার মতে, এই স্বাধীনতা অর্জন করতে হেফাজতে ইসলামের অনেক নেতাকর্মী নিজের জীবন দিয়েছেন। সুতরাং, আজকে যদি দেশের স্বাধীনতা বা ইসলামিক মূল্যবোধের প্রতি কোনো ধরনের হুমকি আসে, তবে তা মোকাবেলা করার জন্য হেফাজতের নেতাকর্মীরা আবারও প্রস্তুত রয়েছে।
  4. ভারতের এজেন্টদের বিরুদ্ধে লড়াই: সাজিদুর রহমান বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “ভারতের এজেন্টরা দেশের ভেতরে চক্রান্ত করছে এবং আমাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধ্বংস করতে চাইছে।” তার মতে, এসব এজেন্টরা বিভিন্ন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী প্রভাব দিয়ে বাংলাদেশের ভেতর থেকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হেফাজত ইসলাম প্রস্তুত রয়েছে।
  5. হেফাজতের ভবিষ্যৎ আন্দোলন এবং আপোষহীনতা: সাজিদুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, “শেখ হাসিনার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো আপস করবো না।” এর মাধ্যমে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে হেফাজতের কঠোর অবস্থান এবং তাদের আন্দোলনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করেছেন। হেফাজত ইসলাম তাদের সংগ্রামকে শুধু রাজনৈতিক না, বরং ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার সংগ্রাম হিসেবে বিবেচনা করছে। তিনি বলেন, হেফাজত ইসলামের নেতাকর্মীরা দেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ইসলামী মূল্যবোধের রক্ষায় আপোষহীন থাকবে।

সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ:

সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন এবং তারা একে অপরের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন:

  • মুফতি শামছুল ইসলাম জিলানী (কুমিল্লা মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক)
  • মাওলানা নুরুল হক (কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা)
  • মাওলানা . রাজ্জাক কাসেমী (কুমিল্লা মহানগর প্রধান উপদেষ্টা)
  • মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী (কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব)
  • মুফতি বশির উল্লাহ (কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক)
  • মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মুফতি মুশতাকুন্নবী কাসেমী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা লোকমান মাজহারী প্রমুখ।

হেফাজতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

হেফাজতে ইসলাম ভবিষ্যতে শক্তিশালী আন্দোলন এবং সংগ্রামের মাধ্যমে তাদের দাবিগুলি বাস্তবায়ন করতে চায়। তারা বাংলাদেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা, ইসলামী মূল্যবোধের অধিকার প্রতিষ্ঠা, এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রতিরোধের জন্য বৃহত্তর জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করবে। সাজিদুর রহমান ঘোষণা করেছেন যে, হেফাজত ইসলাম শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পাশাপাশি, প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পিছপা হবে না।

সরকারের প্রতি আহ্বান:

এছাড়া, তিনি সরকারের প্রতি একটিও বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনা এবং তার সরকারের কার্যকলাপের কারণে দেশের ভবিষ্যত হুমকির মুখে পড়েছে। তারা যদি দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার প্রতি আরও অবজ্ঞা প্রকাশ করে, তবে হেফাজত ইসলাম জনগণকে সংগঠিত করে তার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবে।”

এমনকি সাজিদুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “শেখ হাসিনার ফাঁসি না হওয়া পর্যন্ত আপস নয়,” যা হেফাজতের কঠোর মনোভাব এবং সরকারের প্রতি তাদের দাবি আরও স্পষ্ট করে তুলে ধরে।