সময়: রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌথ সংবাদ সম্মেলন: জামায়াত ও চরমোনাই পীর ইসলামি দলগুলোর ঐক্যের আহ্বান জানালেন

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৮:২২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১৮৬ Time View

rsz jamat amir 20250121 170924786 20250121174339

 

জামায়াত ইসলামী’র আমীর ড. শফিকুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম দেশবাসীর কাছে ইসলামি দলগুলোর ঐক্য কামনা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, ইসলামি দলগুলো একত্রিত হয়ে ভোটকেন্দ্রে এককভাবে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে জনগণের স্বার্থে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। দুই নেতা একযোগে দেশের রাজনীতির শুদ্ধতা এবং ইসলামী দলগুলোর ঐক্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই মাদরাসা পরিদর্শনকালে তারা যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। জামায়াত আমীর ড. শফিকুর রহমান এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম চরমোনাই মাদরাসায় এক সম্মানিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে তারা ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার এবং আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতির কথা আলোচনা করেন।

জামায়াত আমীরের বক্তব্য

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত ইসলামী’র আমীর ড. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, “আমরা ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য চাই। আমরা আমাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি দিয়ে কোনো প্রহসনের নির্বাচন হতে দেবো না। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণের সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে, কিন্তু তা অবশ্যই যথাযথ সংস্কারের পরই হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ৯১ শতাংশ মুসলমান হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই সংখ্যার মধ্যে, কেউ কেউ ভিন্ন ধর্মাবলম্বী এবং কিছু সংখ্যক নাস্তিকও রয়েছেন। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশ, মুসলিমদের এই ঐক্য এবং একটি ইসলামী সমাজের জন্য সংগ্রাম করতে হবে।”

ড. শফিকুর রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমরা ৫৪ বছর স্বাধীন হলেও এখনও স্বাধীন দেশের মর্যাদা আমরা পাইনি। আমাদের স্বাধীনতার প্রকৃত সার্থকতা অর্জন হয়নি, কারণ দেশে দুর্নীতি ও অশাসন চলছেই। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। যেখানে আল্লাহর বিধান অনুসরণ করা হবে না, সেখানে দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন এবং অশাসন আসবেই।”

তিনি আরও বলেন, “কিছু কিছু ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান মানা এবং কিছু ক্ষেত্রে তা এড়িয়ে যাওয়ার কারণে দেশ এখন দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। আমরা চাই দেশের মানুষের প্রতি ইসলামী বিধান মেনে চলার মাধ্যমে সমাজে শুদ্ধতা আনা হোক। দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে আমরা ইসলামী দলগুলোর ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এজন্য আমরা দেশের জনগণের সহযোগিতা চাই।”

ড. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে বিরোধিতার কোনো স্থান রাখি না। আমাদের মিলন আল্লাহর জন্য। নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকা এবং একত্রিতভাবে ভোটের কেন্দ্রে প্রতিনিধিত্ব করা জনগণের প্রত্যাশা। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে দেশকে অগ্রসর করা সম্ভব হবে।”

নির্বাচনের বিষয় নিয়ে জামায়াত আমীরের মন্তব্য

জামায়াত আমীর ড. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে সংস্কার প্রয়োজন তা শেষ হলে নির্বাচন করতে হবে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষা করা। আওয়ামী লীগ অতীতে অনেক ষড়যন্ত্র করেছে, তবে তারা সফল হয়নি, এবং ভবিষ্যতেও সফল হবে না।”

এছাড়া তিনি ভারতের প্রসঙ্গে মন্তব্য করে বলেন, “ভারত আমাদের প্রতিবেশী। আমরা আশা করি, আমাদের মধ্যে কোনো শত্রুতার পরিবেশ তৈরি না হয়ে, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান থাকবে। সীমান্তে কাটাতারের বেড়া থাকলে আমাদের প্রতিবেশী সম্পর্কের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হয়। আমরা চাই, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি যেন সমতা ও মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হয়।”

ড. শফিকুর রহমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, “দেশের জনগণের স্বার্থে দ্রব্যমূল্য দ্রুত কমাতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজতর হয়।”

চরমোনাই পীরের বক্তব্য

চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম তার বক্তব্যে বলেন, “ইসলামি দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ আগেও ছিল, এখনও চলছে। গত ৫৩ বছর নানা কৌশলে ইসলামি দলগুলোকে রাজনীতির মঞ্চ থেকে দূরে রাখা হয়েছে। তবে গত ৫ আগস্টের পর থেকে নতুন ধরনের স্বাধীনতার সুযোগ এসেছে, যা ইসলামী পক্ষের জন্য ভালো পরিবেশ তৈরি করেছে। তবে যদি আমরা সময়োপযোগী পদক্ষেপ না নিই, তবে এটি আমাদের জন্য অকল্যাণকর হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন চালু করার পক্ষে আমরা। এটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।”

পরিদর্শন কর্মী সভা

সংবাদ সম্মেলন শেষে জামায়াত আমীর ড. শফিকুর ইসলাম চরমোনাইর প্রথম পীর মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাকের কবর জিয়ারত করেন। এরপর দুপুরের খাবারের পর, ড. শফিকুর বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে দলের কর্মী সভায় যোগ দেন, যেখানে দলের নেতা-কর্মীরা তার বক্তব্য শোনেন এবং আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় দলের নেতৃবৃন্দ নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোর ঐক্য এবং রাজনৈতিক শক্তির দৃঢ় অবস্থান নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তারা আগামী দিনে দেশ পরিচালনায় ইসলামি দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

যৌথ সংবাদ সম্মেলন: জামায়াত ও চরমোনাই পীর ইসলামি দলগুলোর ঐক্যের আহ্বান জানালেন

Update Time : ০৮:২২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

 

জামায়াত ইসলামী’র আমীর ড. শফিকুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম দেশবাসীর কাছে ইসলামি দলগুলোর ঐক্য কামনা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, ইসলামি দলগুলো একত্রিত হয়ে ভোটকেন্দ্রে এককভাবে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে জনগণের স্বার্থে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। দুই নেতা একযোগে দেশের রাজনীতির শুদ্ধতা এবং ইসলামী দলগুলোর ঐক্য প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই মাদরাসা পরিদর্শনকালে তারা যৌথভাবে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। জামায়াত আমীর ড. শফিকুর রহমান এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম চরমোনাই মাদরাসায় এক সম্মানিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, যেখানে তারা ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার এবং আসন্ন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতির কথা আলোচনা করেন।

জামায়াত আমীরের বক্তব্য

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত ইসলামী’র আমীর ড. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, “আমরা ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য চাই। আমরা আমাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি দিয়ে কোনো প্রহসনের নির্বাচন হতে দেবো না। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণের সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে, কিন্তু তা অবশ্যই যথাযথ সংস্কারের পরই হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ৯১ শতাংশ মুসলমান হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এই সংখ্যার মধ্যে, কেউ কেউ ভিন্ন ধর্মাবলম্বী এবং কিছু সংখ্যক নাস্তিকও রয়েছেন। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশ, মুসলিমদের এই ঐক্য এবং একটি ইসলামী সমাজের জন্য সংগ্রাম করতে হবে।”

ড. শফিকুর রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমরা ৫৪ বছর স্বাধীন হলেও এখনও স্বাধীন দেশের মর্যাদা আমরা পাইনি। আমাদের স্বাধীনতার প্রকৃত সার্থকতা অর্জন হয়নি, কারণ দেশে দুর্নীতি ও অশাসন চলছেই। এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। যেখানে আল্লাহর বিধান অনুসরণ করা হবে না, সেখানে দুর্নীতি, দুর্বৃত্তায়ন এবং অশাসন আসবেই।”

তিনি আরও বলেন, “কিছু কিছু ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান মানা এবং কিছু ক্ষেত্রে তা এড়িয়ে যাওয়ার কারণে দেশ এখন দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। আমরা চাই দেশের মানুষের প্রতি ইসলামী বিধান মেনে চলার মাধ্যমে সমাজে শুদ্ধতা আনা হোক। দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে আমরা ইসলামী দলগুলোর ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এজন্য আমরা দেশের জনগণের সহযোগিতা চাই।”

ড. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে বিরোধিতার কোনো স্থান রাখি না। আমাদের মিলন আল্লাহর জন্য। নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকা এবং একত্রিতভাবে ভোটের কেন্দ্রে প্রতিনিধিত্ব করা জনগণের প্রত্যাশা। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে দেশকে অগ্রসর করা সম্ভব হবে।”

নির্বাচনের বিষয় নিয়ে জামায়াত আমীরের মন্তব্য

জামায়াত আমীর ড. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যে সংস্কার প্রয়োজন তা শেষ হলে নির্বাচন করতে হবে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষা করা। আওয়ামী লীগ অতীতে অনেক ষড়যন্ত্র করেছে, তবে তারা সফল হয়নি, এবং ভবিষ্যতেও সফল হবে না।”

এছাড়া তিনি ভারতের প্রসঙ্গে মন্তব্য করে বলেন, “ভারত আমাদের প্রতিবেশী। আমরা আশা করি, আমাদের মধ্যে কোনো শত্রুতার পরিবেশ তৈরি না হয়ে, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান থাকবে। সীমান্তে কাটাতারের বেড়া থাকলে আমাদের প্রতিবেশী সম্পর্কের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হয়। আমরা চাই, আমাদের পররাষ্ট্র নীতি যেন সমতা ও মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হয়।”

ড. শফিকুর রহমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, “দেশের জনগণের স্বার্থে দ্রব্যমূল্য দ্রুত কমাতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন, যাতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা সহজতর হয়।”

চরমোনাই পীরের বক্তব্য

চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম তার বক্তব্যে বলেন, “ইসলামি দলগুলোর মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ আগেও ছিল, এখনও চলছে। গত ৫৩ বছর নানা কৌশলে ইসলামি দলগুলোকে রাজনীতির মঞ্চ থেকে দূরে রাখা হয়েছে। তবে গত ৫ আগস্টের পর থেকে নতুন ধরনের স্বাধীনতার সুযোগ এসেছে, যা ইসলামী পক্ষের জন্য ভালো পরিবেশ তৈরি করেছে। তবে যদি আমরা সময়োপযোগী পদক্ষেপ না নিই, তবে এটি আমাদের জন্য অকল্যাণকর হতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন চালু করার পক্ষে আমরা। এটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।”

পরিদর্শন কর্মী সভা

সংবাদ সম্মেলন শেষে জামায়াত আমীর ড. শফিকুর ইসলাম চরমোনাইর প্রথম পীর মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ইসহাকের কবর জিয়ারত করেন। এরপর দুপুরের খাবারের পর, ড. শফিকুর বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে দলের কর্মী সভায় যোগ দেন, যেখানে দলের নেতা-কর্মীরা তার বক্তব্য শোনেন এবং আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন।

এ সময় দলের নেতৃবৃন্দ নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোর ঐক্য এবং রাজনৈতিক শক্তির দৃঢ় অবস্থান নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তারা আগামী দিনে দেশ পরিচালনায় ইসলামি দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্ব দিয়ে সবাইকে একত্রিত হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।