সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে : তারেক রহমান

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০২:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • / ১৮৪ Time View

19685291 19

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা: জুবাইদা রহমান

 

বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক তথ্য প্রকাশ ও ইতিহাস তুলে ধরার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস যদি সবার সামনে তুলে ধরা যায়, তাহলে দেশের মানুষ সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। তিনি বলেন, “যদি আমরা মুক্তিযুদ্ধের সকল দিকের সত্য ঘটনা সামনে নিয়ে আসতে পারি, তাহলেই জাতি সঠিক ইতিহাসের দিকে এগিয়ে যাবে।”

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তারেক রহমান এ কথা বলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশ করে এবং তা গণতন্ত্রের প্রাণ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আদর্শের মধ্যে পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, তবে সেই পার্থক্য সত্ত্বেও সকলের জন্য মতপ্রকাশ ও ভোটদানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র এই অধিকারই দেশে গণতন্ত্রের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে পারে এবং ১৫-২০ বছরের মধ্যে দেশে গণতন্ত্রের ধ্বংস হতে দেয়ার পথ বন্ধ হবে।

শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান

তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, তিনটি প্রধান কারণে জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করা উচিত। প্রথমত, তিনি একজন সৈনিক হিসেবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শুধু যুদ্ধে অংশগ্রহণই করেননি, সাধারণ মানুষকেও যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন। দ্বিতীয়ত, তিনি একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে দেশের প্রয়োজনে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন। জাতির দুর্দিনে তিনি দেশের মানুষকে একত্রিত করেছিলেন। তৃতীয়ত, তার শাসনামলে তিনি দেশের অর্থনীতি, শিল্প ও কৃষিতে অভাবনীয় উন্নতি করেছিলেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, “জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ দেশকে উন্নতির পথে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। তাঁর মাধ্যমে দেশ স্বাভাবিক পথে চলতে শুরু করে।”

জাতীয় ঐক্য গণতন্ত্র

অনুষ্ঠানে তারেক রহমান জাতীয় ঐক্যের গুরুত্বকেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান শুধু বিএনপিকে শক্তিশালী করেননি, বরং তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দলকে একত্রিত করার জন্য কাজ করেছেন। তিনি জাতীয় ঐক্য গড়েছেন যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা।”

তার মতে, দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য জনগণের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিয়াউর রহমান এই ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক দিক থেকে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন। এই ঐক্য আজও দেশের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে।

প্রবাসী গার্মেন্টস শিল্পে অবদান

জিয়াউর রহমানের শাসনামলে প্রবাসী শ্রমিকদের বিদেশে পাঠানো এবং গার্মেন্টস শিল্পের উন্নয়ন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তারেক রহমান বলেন, “জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছিল। তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে অনেক মানুষের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায়।”

অন্যান্য বক্তাদের বক্তব্য

অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমানের অবদান সম্পর্কে আরও অনেক বক্তা তাদের মতামত তুলে ধরেন। ডা. জুবাইদা রহমান, যিনি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন, তিনি বলেন, “যে ধরণের দৃঢ় সংকল্প শহীদ জিয়াউর রহমানের মধ্যে ছিল, তা আমার মতো অনেক শিশুর জন্য আজও পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, “শহীদ জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক ছিলেন। তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং দেশের জনগণের মধ্যে আশা সৃষ্টি করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি দেশে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেন এবং মানুষের জীবনে সচ্ছলতা নিয়ে আসেন।”

বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিকোণ

এছাড়া, অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা এবং রাজনৈতিক নেতারা শহীদ জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশিষ্ট গবেষক ও শিক্ষাবিদরা তার শাসনামলের কৃষি উন্নয়ন, গার্মেন্টস শিল্পে অবদান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ভূমিকা, এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশি সম্পর্কের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।

প্রধান আলোচক হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনীতি, রাষ্ট্রনীতি, পররাষ্ট্রনীতি ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছিলেন।”

প্রজন্মের প্রতি আহ্বান

অনুষ্ঠানে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে পথ চলার জন্য তাদের আগ্রহ এবং সংকল্প প্রকাশ করেন। ফাহাম আব্দুস সালাম বলেন, “জিয়াউর রহমান যদি ৭৫ সালে ক্ষমতায় না আসতেন, তাহলে বাংলাদেশ আজকে যে অবস্থানে আছে, তা নিশ্চিতভাবেই থাকতে পারত না।”

কৃষি উন্নয়নে শহীদ জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরেন অধ্যাপক হালিম খান। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান কৃষকদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। তাঁর সময়েই দেশের কৃষি বিপ্লব ঘটে। খাল খনন ও বহুমুখী উৎপাদন কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিলেন।”

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জিয়াউর রহমানের অবদান

জিয়াউর রহমানের সাংস্কৃতিক অবদানের কথা মনে করে চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন উজ্জল বলেন, “তিনি শিল্পীদের প্রতি অনেক সহানুভূতিশীল ছিলেন। তাঁর শাসনামলে শিল্পীরা অনেক ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন এবং অনেক শিল্পী তাদের শিল্পীজীবনে সফলতা অর্জন করেছিলেন।”

এই অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ, জিয়াউর রহমানের অবদান, তার রাজনীতি, দেশ পরিচালনার কৌশল এবং তার শাসনামলের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই আলোচনা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে পুনরায় মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শিক্ষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে হবে : তারেক রহমান

Update Time : ০২:৫১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা: জুবাইদা রহমান

 

বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক তথ্য প্রকাশ ও ইতিহাস তুলে ধরার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মন্তব্য করেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস যদি সবার সামনে তুলে ধরা যায়, তাহলে দেশের মানুষ সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। তিনি বলেন, “যদি আমরা মুক্তিযুদ্ধের সকল দিকের সত্য ঘটনা সামনে নিয়ে আসতে পারি, তাহলেই জাতি সঠিক ইতিহাসের দিকে এগিয়ে যাবে।”

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তারেক রহমান এ কথা বলেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভোটের মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশ করে এবং তা গণতন্ত্রের প্রাণ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আদর্শের মধ্যে পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, তবে সেই পার্থক্য সত্ত্বেও সকলের জন্য মতপ্রকাশ ও ভোটদানের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। তিনি মনে করেন, শুধুমাত্র এই অধিকারই দেশে গণতন্ত্রের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে পারে এবং ১৫-২০ বছরের মধ্যে দেশে গণতন্ত্রের ধ্বংস হতে দেয়ার পথ বন্ধ হবে।

শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদান

তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, তিনটি প্রধান কারণে জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করা উচিত। প্রথমত, তিনি একজন সৈনিক হিসেবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শুধু যুদ্ধে অংশগ্রহণই করেননি, সাধারণ মানুষকেও যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য অনুপ্রাণিত করেছেন। দ্বিতীয়ত, তিনি একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে দেশের প্রয়োজনে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন। জাতির দুর্দিনে তিনি দেশের মানুষকে একত্রিত করেছিলেন। তৃতীয়ত, তার শাসনামলে তিনি দেশের অর্থনীতি, শিল্প ও কৃষিতে অভাবনীয় উন্নতি করেছিলেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, “জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ দেশকে উন্নতির পথে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। তাঁর মাধ্যমে দেশ স্বাভাবিক পথে চলতে শুরু করে।”

জাতীয় ঐক্য

গণতন্ত্র

অনুষ্ঠানে তারেক রহমান জাতীয় ঐক্যের গুরুত্বকেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান শুধু বিএনপিকে শক্তিশালী করেননি, বরং তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দলকে একত্রিত করার জন্য কাজ করেছেন। তিনি জাতীয় ঐক্য গড়েছেন যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা।”

তার মতে, দেশের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য জনগণের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিয়াউর রহমান এই ঐক্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক দিক থেকে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন। এই ঐক্য আজও দেশের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে।

প্রবাসী গার্মেন্টস শিল্পে অবদান

জিয়াউর রহমানের শাসনামলে প্রবাসী শ্রমিকদের বিদেশে পাঠানো এবং গার্মেন্টস শিল্পের উন্নয়ন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তারেক রহমান বলেন, “জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছিল। তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ফলে অনেক মানুষের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পায়।”

অন্যান্য বক্তাদের বক্তব্য

অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমানের অবদান সম্পর্কে আরও অনেক বক্তা তাদের মতামত তুলে ধরেন। ডা. জুবাইদা রহমান, যিনি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন, তিনি বলেন, “যে ধরণের দৃঢ় সংকল্প শহীদ জিয়াউর রহমানের মধ্যে ছিল, তা আমার মতো অনেক শিশুর জন্য আজও পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, “শহীদ জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক ছিলেন। তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং দেশের জনগণের মধ্যে আশা সৃষ্টি করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি দেশে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেন এবং মানুষের জীবনে সচ্ছলতা নিয়ে আসেন।”

বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিকোণ

এছাড়া, অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা এবং রাজনৈতিক নেতারা শহীদ জিয়াউর রহমানের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশিষ্ট গবেষক ও শিক্ষাবিদরা তার শাসনামলের কৃষি উন্নয়ন, গার্মেন্টস শিল্পে অবদান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ভূমিকা, এবং শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশি সম্পর্কের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।

প্রধান আলোচক হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনীতি, রাষ্ট্রনীতি, পররাষ্ট্রনীতি ও গণমাধ্যমের বিভিন্ন খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছিলেন।”

প্রজন্মের প্রতি আহ্বান

অনুষ্ঠানে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে পথ চলার জন্য তাদের আগ্রহ এবং সংকল্প প্রকাশ করেন। ফাহাম আব্দুস সালাম বলেন, “জিয়াউর রহমান যদি ৭৫ সালে ক্ষমতায় না আসতেন, তাহলে বাংলাদেশ আজকে যে অবস্থানে আছে, তা নিশ্চিতভাবেই থাকতে পারত না।”

কৃষি উন্নয়নে শহীদ জিয়াউর রহমানের ভূমিকা তুলে ধরেন অধ্যাপক হালিম খান। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান কৃষকদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। তাঁর সময়েই দেশের কৃষি বিপ্লব ঘটে। খাল খনন ও বহুমুখী উৎপাদন কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি দেশের খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছিলেন।”

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জিয়াউর রহমানের অবদান

জিয়াউর রহমানের সাংস্কৃতিক অবদানের কথা মনে করে চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন উজ্জল বলেন, “তিনি শিল্পীদের প্রতি অনেক সহানুভূতিশীল ছিলেন। তাঁর শাসনামলে শিল্পীরা অনেক ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন এবং অনেক শিল্পী তাদের শিল্পীজীবনে সফলতা অর্জন করেছিলেন।”

এই অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ, জিয়াউর রহমানের অবদান, তার রাজনীতি, দেশ পরিচালনার কৌশল এবং তার শাসনামলের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই আলোচনা বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে পুনরায় মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি শিক্ষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকবে।