হামাসের সাবেক প্রধান হানিয়াকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরায়েল
- Update Time : ১০:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
- / ১৯৭ Time View

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সাবেক প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। সোমবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এই স্বীকারোক্তি দেন। একইসঙ্গে কাৎজ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের নেতৃত্বকেও ‘কতল’ করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসরায়েলি বাহিনীর।
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা হুতিদের ওপর কঠোরভাবে আঘাত হানব এবং তাদের নেতৃত্বকে কতল করব… যেমনটা আমরা তেহরান, গাজা ও লেবাননে হানিয়া, ইয়াহিয়া সিনওয়ার এবং হাসান নাসরুল্লাহর ক্ষেত্রে করেছি, ঠিক তেমনই হোদেইদা ও সানায় করব।”
এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার কথা প্রথমবারের মতো স্বীকার করল ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ৩১ জুলাই ইরানের রাজধানী তেহরানে হানিয়া হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। ইরান ও হামাস শুরু থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে আসছিল। তবে এতদিন তা স্বীকার করেনি ইসরায়েল।
হত্যাকাণ্ডের বিবরণ
নিহত হওয়ার সময় হানিয়া তেহরানের একটি রাষ্ট্রীয় অতিথিশালার কক্ষে অবস্থান করছিলেন। গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ওই কক্ষে কয়েক সপ্তাহ আগে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বোমা স্থাপন করেছিলেন। সেই বোমার বিস্ফোরণে হানিয়ার মৃত্যু হয়। এর আগের দিন তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের অভিষেক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
অন্যান্য হত্যাকাণ্ড
হানিয়ার হত্যার পর গত ২৭ সেপ্টেম্বর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের বোমা হামলায় নিহত হন হিজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ। এরপর ১৬ অক্টোবর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় হামাসের বর্তমান নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারকেও হত্যা করে ইসরায়েল।
ইসরায়েলের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন সিনওয়ার। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজের বিবৃতিতে এই ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইসরায়েলি বাহিনীর কার্যক্রমের উল্লেখ করা হয়, যা মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।











