Advertisement
সময়: শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিহ্বা সংযত রাখা: মুমিনের বৈশিষ্ট্য

বিল্লাল হোসেন
  • Update Time : ০৫:০২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪
  • / ২২২ Time View

taunge 2006141545

জিহ্বা মানুষের এক অসাধারণ নিয়ামত। এটি একদিকে আমাদের জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা প্রকাশের মাধ্যম, আবার অন্যদিকে এর ভুল ব্যবহারে আমরা বিপদগ্রস্ত হতে পারি। ইসলামে জিহ্বার সংযমকে ঈমানদার ব্যক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কুরআন ও হাদিসে এর গুরুত্ব গভীরভাবে আলোচিত হয়েছে।

জিহ্বার সংযম: কুরআনের নির্দেশনা

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“وَقُولُوا لِلنَّاسِ حُسْنًا”
আর মানুষের সঙ্গে উত্তমভাবে কথা বল।
(সূরা বাকারা: ৮৩)

এই নির্দেশ থেকে বোঝা যায়, উত্তম আচরণ ও ভদ্রতা শুধুমাত্র কাজের মাধ্যমে নয়, কথাবার্তায়ও প্রতিফলিত হতে হবে। জিহ্বার মাধ্যমে উত্তম কথা বললে সমাজে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

আবার আল্লাহ বলেন:

“مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ”
মানুষ যে কথাই বলে, তার পাশে থাকে একজন তৎপর প্রহরী।
(সূরা ক্বাফ: ১৮)

এ আয়াতে আমাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়। এ দৃষ্টিকোণ থেকে জিহ্বা সংযত রাখা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব।

অন্যত্র আল্লাহ বলেন:

“يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا”
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্য সঠিক কথা বল।
(সূরা আহযাব: ৭০)

এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, সত্য ও কল্যাণমুখী কথা বলার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি।

হাদিসে জিহ্বা সংযমের গুরুত্ব

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:

“مَنْ يَضْمَنْ لِي مَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الْجَنَّةَ”
যে ব্যক্তি তার জিহ্বা এবং লজ্জাস্থানের সংযমের নিশ্চয়তা দেয়, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।
(সহিহ বুখারি: ৬৪৭৪)

এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, জিহ্বা সংযত রাখা জান্নাতে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেন:

“إِنَّ أَكْثَرَ خَطَايَا ابْنِ آدَمَ فِي لِسَانِهِ”
আদম সন্তানের অধিকাংশ পাপ তার জিহ্বার কারণে হয়।
(তাবরানি: ৭৩৫৯)

এই হাদিসে জিহ্বার ভুল ব্যবহারের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। কথার মাধ্যমে মানুষ সহজেই অন্যের ক্ষতি করতে পারে। এজন্য কথার আগে চিন্তা করা জরুরি।

জিহ্বা সংযত রাখার উপকারিতা

১. আত্মশুদ্ধি অর্জন:
জিহ্বা সংযত রাখার মাধ্যমে মানুষ তার আত্মার পবিত্রতা বজায় রাখতে পারে। এটি গীবত, মিথ্যা, এবং কটূক্তি থেকে রক্ষা করে।

২. সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়ন:
উত্তম কথা মানুষের হৃদয়ে প্রভাব ফেলে। এর মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ তৈরি হয়।

৩. পরকালীন সাফল্য:
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য জিহ্বা সংযম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

“الْكَلِمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ”
সুন্দর কথা বলাও একটি সাদকা।
(সহিহ বুখারি: ২৯৮৯)

৪. মনের প্রশান্তি:
অপ্রয়োজনীয় কথা না বললে মন ভারমুক্ত থাকে এবং অহেতুক দ্বন্দ্ব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কথার সংযমে রাসুলুল্লাহর দৃষ্টান্ত

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বদা তার কথায় সততা ও দয়া প্রদর্শন করতেন। তিনি কখনো অপব্যবহার করেননি এবং অন্যদেরও সতর্ক করতেন। তার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করেই আমাদের জিহ্বার ব্যবহারে সংযমী হতে হবে।

মুমিনের করণীয়

১. গীবত, অপবাদ মিথ্যা এড়ানো:
হাদিসে এসেছে, গীবত করা এমন পাপ যা মৃত ব্যক্তির মাংস খাওয়ার সমতুল্য। (সূরা হুজরাত: ১২)

২. নিয়মিত আত্মসমীক্ষা:
প্রতিদিনের কথা ও কাজ বিশ্লেষণ করা এবং ভুল হলে তাওবা করা।

৩. চুপ থাকার অভ্যাস:
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:

“مَنْ صَمَتَ نَجَا”
যে নীরব থাকে, সে মুক্তি লাভ করে।
(তিরমিজি: ২৫০১)

৪. উত্তম কথা বলার চেষ্টা:
কথা বলার আগে চিন্তা করা উচিত এটি কল্যাণ বয়ে আনবে কি না।

শেষকথা, জিহ্বা সংযত রাখা শুধু মুমিনের নয়, সকল মানুষের জন্যই কল্যাণকর। এটি দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি অর্জনের মাধ্যম। আমাদের প্রতিটি কথার জন্য আমরা দায়বদ্ধ, এবং আমাদের প্রতিটি কথা আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে। তাই আমরা যেন সর্বদা আল্লাহর ভয় ও রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে কথা বলি।

আল্লাহ আমাদেরকে কল্যাণকর কথা বলার এবং ক্ষতিকর কথা থেকে বিরত থাকার তৌফিক দিন। আমিন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিল্লাল হোসেন

বিল্লাল হোসেন, একজন প্রজ্ঞাবান পেশাজীবী, যিনি গণিতের ওপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ, ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি সমৃদ্ধ ও বহুমুখী ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন। তার আর্থিক খাতে যাত্রা তাকে নেতৃত্বের ভূমিকায় নিয়ে গেছে, বিশেষ করে সৌদি আরবের আল-রাজি ব্যাংকিং Inc. এবং ব্যাংক-আল-বিলাদে বিদেশী সম্পর্ক ও করেসপন্ডেন্ট মেইন্টেনেন্স অফিসার হিসেবে। প্রথাগত অর্থনীতির গণ্ডির বাইরে, বিল্লাল একজন প্রখ্যাত লেখক ও বিশ্লেষক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে মননশীল কলাম ও গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করে। তার দক্ষতা বিস্তৃত বিষয় জুড়ে রয়েছে, যেমন অর্থনীতির জটিলতা, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, প্রবাসী শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্ট, রেমিটেন্স, রিজার্ভ এবং অন্যান্য সম্পর্কিত দিক। বিল্লাল তার লেখায় একটি অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসেন, যা ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে অর্জিত বাস্তব জ্ঞানকে একত্রিত করে একাডেমিক কঠোরতার সাথে। তার প্রবন্ধগুলো শুধুমাত্র জটিল বিষয়গুলির উপর গভীর বোঝাপড়ার প্রতিফলন নয়, বরং পাঠকদের জন্য জ্ঞানপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে, যা তত্ত্ব ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। বিল্লাল হোসেনের অবদান তার প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে যে, তিনি আমাদের আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বের জটিলতাগুলি উন্মোচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের একটি বিস্তৃত এবং আরও সূক্ষ্ম বোঝাপড়ার দিকে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

জিহ্বা সংযত রাখা: মুমিনের বৈশিষ্ট্য

Update Time : ০৫:০২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৪

জিহ্বা মানুষের এক অসাধারণ নিয়ামত। এটি একদিকে আমাদের জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা প্রকাশের মাধ্যম, আবার অন্যদিকে এর ভুল ব্যবহারে আমরা বিপদগ্রস্ত হতে পারি। ইসলামে জিহ্বার সংযমকে ঈমানদার ব্যক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কুরআন ও হাদিসে এর গুরুত্ব গভীরভাবে আলোচিত হয়েছে।

জিহ্বার সংযম: কুরআনের নির্দেশনা

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“وَقُولُوا لِلنَّاسِ حُسْنًا”
আর মানুষের সঙ্গে উত্তমভাবে কথা বল।
(সূরা বাকারা: ৮৩)

এই নির্দেশ থেকে বোঝা যায়, উত্তম আচরণ ও ভদ্রতা শুধুমাত্র কাজের মাধ্যমে নয়, কথাবার্তায়ও প্রতিফলিত হতে হবে। জিহ্বার মাধ্যমে উত্তম কথা বললে সমাজে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

আবার আল্লাহ বলেন:

“مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ”
মানুষ যে কথাই বলে, তার পাশে থাকে একজন তৎপর প্রহরী।
(সূরা ক্বাফ: ১৮)

এ আয়াতে আমাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে প্রতিটি কথা রেকর্ড হয়। এ দৃষ্টিকোণ থেকে জিহ্বা সংযত রাখা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব।

অন্যত্র আল্লাহ বলেন:

“يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا”
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্য সঠিক কথা বল।
(সূরা আহযাব: ৭০)

এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, সত্য ও কল্যাণমুখী কথা বলার মাধ্যমে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারি।

হাদিসে জিহ্বা সংযমের গুরুত্ব

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:

“مَنْ يَضْمَنْ لِي مَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الْجَنَّةَ”
যে ব্যক্তি তার জিহ্বা এবং লজ্জাস্থানের সংযমের নিশ্চয়তা দেয়, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।
(সহিহ বুখারি: ৬৪৭৪)

এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, জিহ্বা সংযত রাখা জান্নাতে যাওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেন:

“إِنَّ أَكْثَرَ خَطَايَا ابْنِ آدَمَ فِي لِسَانِهِ”
আদম সন্তানের অধিকাংশ পাপ তার জিহ্বার কারণে হয়।
(তাবরানি: ৭৩৫৯)

এই হাদিসে জিহ্বার ভুল ব্যবহারের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। কথার মাধ্যমে মানুষ সহজেই অন্যের ক্ষতি করতে পারে। এজন্য কথার আগে চিন্তা করা জরুরি।

জিহ্বা সংযত রাখার উপকারিতা

১. আত্মশুদ্ধি অর্জন:
জিহ্বা সংযত রাখার মাধ্যমে মানুষ তার আত্মার পবিত্রতা বজায় রাখতে পারে। এটি গীবত, মিথ্যা, এবং কটূক্তি থেকে রক্ষা করে।

২. সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়ন:
উত্তম কথা মানুষের হৃদয়ে প্রভাব ফেলে। এর মাধ্যমে সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ তৈরি হয়।

৩. পরকালীন সাফল্য:
আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য জিহ্বা সংযম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:

“الْكَلِمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ”
সুন্দর কথা বলাও একটি সাদকা।
(সহিহ বুখারি: ২৯৮৯)

৪. মনের প্রশান্তি:
অপ্রয়োজনীয় কথা না বললে মন ভারমুক্ত থাকে এবং অহেতুক দ্বন্দ্ব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কথার সংযমে রাসুলুল্লাহর দৃষ্টান্ত

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বদা তার কথায় সততা ও দয়া প্রদর্শন করতেন। তিনি কখনো অপব্যবহার করেননি এবং অন্যদেরও সতর্ক করতেন। তার দৃষ্টান্ত অনুসরণ করেই আমাদের জিহ্বার ব্যবহারে সংযমী হতে হবে।

মুমিনের করণীয়

১. গীবত, অপবাদ মিথ্যা এড়ানো:
হাদিসে এসেছে, গীবত করা এমন পাপ যা মৃত ব্যক্তির মাংস খাওয়ার সমতুল্য। (সূরা হুজরাত: ১২)

২. নিয়মিত আত্মসমীক্ষা:
প্রতিদিনের কথা ও কাজ বিশ্লেষণ করা এবং ভুল হলে তাওবা করা।

৩. চুপ থাকার অভ্যাস:
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:

“مَنْ صَمَتَ نَجَا”
যে নীরব থাকে, সে মুক্তি লাভ করে।
(তিরমিজি: ২৫০১)

৪. উত্তম কথা বলার চেষ্টা:
কথা বলার আগে চিন্তা করা উচিত এটি কল্যাণ বয়ে আনবে কি না।

শেষকথা, জিহ্বা সংযত রাখা শুধু মুমিনের নয়, সকল মানুষের জন্যই কল্যাণকর। এটি দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি অর্জনের মাধ্যম। আমাদের প্রতিটি কথার জন্য আমরা দায়বদ্ধ, এবং আমাদের প্রতিটি কথা আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে। তাই আমরা যেন সর্বদা আল্লাহর ভয় ও রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করে কথা বলি।

আল্লাহ আমাদেরকে কল্যাণকর কথা বলার এবং ক্ষতিকর কথা থেকে বিরত থাকার তৌফিক দিন। আমিন।