ভারতে পালানোর সময় কসবা সীমান্তে যুগ্ম সচিব আটক
- Update Time : ০৯:২০:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
- / ২১২ Time View

ভারতে পালানোর চেষ্টা করার সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের যুগ্ম সচিব এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদারকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তের পুটিয়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজিবি জানায়, এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কোমরকড়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিন আহম্মদ মজুমদারের ছেলে। তিনি ঢাকার বাসাবো থানার সবুজবাগের দক্ষিণগাঁও এলাকায় বসবাস করতেন এবং জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর অধীনে যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, আজ দুপুরে কসবা উপজেলার পুটিয়া এলাকায় ঘোরাফেরা করার সময় এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদারকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের (৬০ বিজিবি) টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্তরেখার পিলার ২০৫০/৮ থেকে ৫০ গজ বাংলাদেশের ভেতর তাঁকে আটক করে।
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যকলাপে জড়িত থাকার কারণে তিনি ভারতে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন।
সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার জানান, পাসপোর্ট ছাড়া অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে তাঁকে কসবা থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় দালাল চক্রের সদস্য মো. খায়রুল বাসার এবং ভারতীয় দালাল চক্রের সদস্য মো. নাদিম মিয়ার সহযোগিতায় ভারতে পালানোর উদ্দেশ্যে কসবা সীমান্তে এসেছিলেন এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদার।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জহিরুল হক জানান, ‘আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে ওই কর্মকর্তাকে আটক করার খবর পেয়েছি, তবে এ সংক্রান্ত কোনো কাগজ আমাদের কাছে আসেনি। বিজিবি এখনও আটক ব্যক্তিকে থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেনি।’
সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংসদ সচিবালয়ে আত্তীকরণ হওয়া ১২ কর্মকর্তাকে গত ২৫ সেপ্টেম্বর বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে এ কে এম জি কিবরিয়া মজুমদারও রয়েছেন। অভিযোগ আছে, ওই কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে আইন অমান্য করা হয়েছে।











