ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান: বেসামরিক নাগরিক হত্যার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাল যুক্তরাষ্ট্র
- Update Time : ০২:৫৪:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪
- / ২৩৫ Time View

চলতি বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত বেসামরিক নাগরিকদের নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ধারায় এই ঘটনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে দেশটি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, “আমরা মনে করি, সাম্প্রতিক মাসগুলোর বিক্ষোভে নিহত বেসামরিক নাগরিকদের বিষয়ে সম্পূর্ণ এবং নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। এমন নৃশংস ঘটনার পর প্রকৃত দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা খুবই প্রয়োজন।”
৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মিলার আরও বলেন, “নাগরিকদের জীবন সুরক্ষা এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে ছাত্র ও সাধারণ জনগণের আন্দোলনের পেছনে যে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট কাজ করছে, তা নিয়ে গভীর পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন। যেই ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী হোক না কেন, তাদের প্রতি পূর্ণ জবাবদিহিতা থাকতে হবে।”
যুক্তরাষ্ট্র এই ধরনের ঘটনা থেকে উদ্ভূত মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সবসময় সরব থেকেছে। মুখপাত্র মিলার জোর দিয়ে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, বিক্ষোভকারীদের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে হবে, এবং যে কোনও ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত।”
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সম্পর্কেও যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, “বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সমুন্নত দেখতে চাই। গণমাধ্যম একটি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অন্যতম স্তম্ভ। তাই এটি রক্ষা করতে হবে, যাতে সত্যি ঘটনা জনগণের সামনে তুলে ধরা সম্ভব হয়।”
যুক্তরাষ্ট্রের এই আহ্বান বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান এবং এর ফলাফল নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ বাড়ছে। এর মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মানবাধিকার এবং দায়িত্বশীল নেতৃত্বের প্রতি গুরুত্বারোপ করে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরও স্বচ্ছতা এবং দায়বদ্ধতা আশা করছে।











