‘গণহত্যা’-র বিচার করতে শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবি জানাবে বাংলাদেশ : টাইমস অব ইন্ডিয়া
- Update Time : ০৩:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
- / ৪০৩ Time View

বাংলাদেশে ‘জুলাই গণহত্যা’-র পর ইতিমধ্যে এক মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। সেই ভয়াবহ ঘটনার বিচারের দাবিতে পালিয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফেরানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) নতুন প্রধান আইনজীবী মহম্মদ তাজুল ইসলাম এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “আমরা খুব শীঘ্রই আইসিটির কাছে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং গণহত্যার মামলায় শেখ হাসিনা-সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন জানাবো।”
তাজুল আরও জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই প্রমাণগুলো যাচাই-বাছাই শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে পেশ করা হবে। হাসিনার বিরুদ্ধে মামলাগুলি গুরুতর, এবং সরকারের পক্ষে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে এই ধরনের অপরাধের যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম বলেছেন, “জুলাই এবং আগস্ট মাসে শেখ হাসিনার শাসনামলে পুলিশি নিপীড়নে হাজারেরও বেশি সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন, এবং বহু মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন।” তিনি আরও জানান, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে ‘গণহত্যা’-র গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, যা জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
বিভিন্ন সেক্টর থেকে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল হচ্ছে। গত মাসেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল হাসিনা সহ নয়জনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উদ্যোগী হয়েছিল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মুহম্মদ তৌহিদ হোসেনও বলেছেন, “বিচারের স্বার্থে আমরা শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
বাংলাদেশের এই নতুন সরকার শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের উপর গুরুত্বারোপ করেছে। দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার সংগঠনও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।











