সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ খেলাপি ঋণ: জুনে ঋণের পরিমাণ ছাড়াল ২ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ০৩:৫০:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • / ৪৪৫ Time View

Bangladesh bank

বাংলাদেশ ব্যাংক

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন মাসে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা দুই লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। এই পরিমাণ মোট বিতরণ করা ঋণের ১২.৫৬ শতাংশ। অর্থাৎ, দেশের ব্যাংক খাতে বিতরণ করা ঋণের প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে প্রায় ১২.৫৬ টাকা এখন খেলাপি ঋণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

খেলাপি ঋণের এই ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা উদ্বিগ্ন। তাদের মতে, জালিয়াতির মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না, যা খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বেশ কিছু বড় ব্যবসায়ী দেশত্যাগ করেছেন, যা আগামীতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের জুন মাসের শেষে ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ স্থিতি ছিল ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে দুই লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি মার্চ প্রান্তিকে ছিল এক লাখ ৮২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১১.১১ শতাংশ ছিল। এই সময়ের মধ্যে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২৯ হাজার ৯৬ কোটি টাকা।

এর আগের প্রান্তিকে, ডিসেম্বর ২০২৩ এর শেষে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা। সুতরাং, বছরের প্রথম তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল ৩৬ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ খেলাপি ঋণ: জুনে ঋণের পরিমাণ ছাড়াল ২ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা

Update Time : ০৩:৫০:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪
বাংলাদেশ ব্যাংক

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন মাসে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা দুই লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। এই পরিমাণ মোট বিতরণ করা ঋণের ১২.৫৬ শতাংশ। অর্থাৎ, দেশের ব্যাংক খাতে বিতরণ করা ঋণের প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে প্রায় ১২.৫৬ টাকা এখন খেলাপি ঋণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

খেলাপি ঋণের এই ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা উদ্বিগ্ন। তাদের মতে, জালিয়াতির মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না, যা খেলাপি ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এছাড়া, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বেশ কিছু বড় ব্যবসায়ী দেশত্যাগ করেছেন, যা আগামীতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের জুন মাসের শেষে ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ স্থিতি ছিল ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে দুই লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা খেলাপি ঋণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এটি মার্চ প্রান্তিকে ছিল এক লাখ ৮২ হাজার ২৯৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১১.১১ শতাংশ ছিল। এই সময়ের মধ্যে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২৯ হাজার ৯৬ কোটি টাকা।

এর আগের প্রান্তিকে, ডিসেম্বর ২০২৩ এর শেষে, খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা। সুতরাং, বছরের প্রথম তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছিল ৩৬ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা।