নয়াপল্টনে শ্রমিক দলের মহাসমাবেশে তারেক রহমান, শ্রমিক অধিকারের দাবিতে স্লোগানে মুখর রাজধানী
- Update Time : ০৫:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
- / ১৫৭ Time View

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শ্রমিক দলের বিশাল সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (১ মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এই সমাবেশ ঘিরে সকাল থেকেই রাজধানীতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিভিন্ন জেলা থেকে আসা হাজারো শ্রমিক, নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে নয়াপল্টন এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
বিকাল সোয়া ৪টার দিকে সমাবেশস্থলে পৌঁছান তারেক রহমান। এ সময় তাকে স্বাগত জানান দলীয় শীর্ষ নেতারা। মঞ্চে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।
এর আগে বিকাল ৩টায় শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতারা শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, শ্রমিক কল্যাণ তহবিল বৃদ্ধি এবং শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবি জানান। পাশাপাশি তারা দেশের শিল্পখাতে শ্রমিকদের অবদান তুলে ধরে শ্রমিকবান্ধব নীতি গ্রহণের আহ্বান জানান।
যদিও পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী দুপুর আড়াইটায় কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল, তবে সকাল থেকেই ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল থেকে শ্রমিকদের ঢল নামে নয়াপল্টনে। গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শ্রমিকরা ব্যানার, ফেস্টুন ও দলীয় পতাকা নিয়ে মিছিল সহকারে সমাবেশে যোগ দেন। তারা শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন, কাকরাইল, নাইটিঙ্গেল মোড় এবং ফকিরেরপুল এলাকায় ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায়। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল ধীর হয়ে পড়ে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। পুলিশ, র্যাব এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পুরো এলাকা নজরদারির মধ্যে রাখেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে এই সমাবেশ বিএনপি ও শ্রমিক দলের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনের একটি বড় আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে শ্রমিক রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার বার্তাও দিয়েছে দলটি।




















