কালতায় জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের জামায়াতে যোগদান:আগামী নির্বাচনে জনগণ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, দূর্নীতিবাজদের না বলবে-আতাউর রহমান সরকার
- Update Time : ০৭:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
- / ১২২ Time View

কালতায় জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের জামায়াতে যোগদান: আগামী নির্বাচনে জনগণ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, দূর্নীতিবাজদের না বলবে–আতাউর রহমান সরকার
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি │
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে দিন দিন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মাঠে নতুন মোড় নিয়েছে পরিস্থিতি। কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালতা গ্রামে শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনী সমাবেশে জাতীয় পার্টির বহু নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার। তিনি বলেন, “দেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। তারা চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে রায় দেবে। আগামী নির্বাচনে জনগণ ইনসাফ ও ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা কসবা-আখাউড়াকে একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়াই জামায়াতের প্রতিশ্রুতি।”
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবনেতা আজাদ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বি-বাড়িয়া জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমীর কাজী ইয়াকুব আলী, কসবা উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শিবলী নোমানী, এবং সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি আল আমিন সরকার। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোবারক হোসেন, যুবনেতা শরিফুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, ও নাছির উদ্দিন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের মানুষ এখন রাজনৈতিক নৈতিকতার পুনর্জাগরণ চায়। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। তারা বিশ্বাস করেন, জামায়াত ইসলামী ইনসাফ, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নমূলক রাজনীতির মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
সভা শেষে কালতা ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির নেতা জুনু
তিনি বলেন, “এই যোগদান প্রমাণ করে, মানুষ এখন বিকল্প নেতৃত্ব চায়—যে নেতৃত্ব সৎ, যোগ্য ও জনগণের কল্যাণে নিবেদিত। আমি বিশ্বাস করি, কসবা-আখাউড়ার মানুষ এইবার ইনসাফ ও উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেবে।”
সমাবেশে উপস্থিত জনতার স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে কালতা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষও জানান, তারা ন্যায় ও পরিবর্তনের রাজনীতি দেখতে চান—যে রাজনীতি মানুষের পাশে থাকবে, লুটপাটের নয়; সেবা, সততা ও উন্নয়নের প্রতীক হবে দাঁড়িপাল্লা।










