সময়: শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালতায় জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের জামায়াতে যোগদান:আগামী নির্বাচনে জনগণ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, দূর্নীতিবাজদের না বলবে-আতাউর রহমান সরকার

বিল্লাল হোসেন
  • Update Time : ০৭:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১২২ Time View

ATA KALTA

ATA KALTA

কালতায় জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের জামায়াতে যোগদান: আগামী নির্বাচনে জনগণ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, দূর্নীতিবাজদের না বলবেআতাউর রহমান সরকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি │
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে দিন দিন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মাঠে নতুন মোড় নিয়েছে পরিস্থিতি। কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালতা গ্রামে শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনী সমাবেশে জাতীয় পার্টির বহু নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার। তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। তারা চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে রায় দেবে। আগামী নির্বাচনে জনগণ ইনসাফ ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, আমরা কসবা-আখাউড়াকে একটি সমৃদ্ধ মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়াই জামায়াতের প্রতিশ্রুতি।”

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবনেতা আজাদ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বি-বাড়িয়া জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমীর কাজী ইয়াকুব আলী, কসবা উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শিবলী নোমানী, এবং সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি আল আমিন সরকার। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোবারক হোসেন, যুবনেতা শরিফুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, ও নাছির উদ্দিন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের মানুষ এখন রাজনৈতিক নৈতিকতার পুনর্জাগরণ চায়। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। তারা বিশ্বাস করেন, জামায়াত ইসলামী ইনসাফ, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নমূলক রাজনীতির মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।

সভা শেষে কালতা ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির নেতা জুনু

মিয়ার নেতৃত্বে বহু কর্মী ও সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। নতুন যোগদানকারীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও করতালির মধ্য দিয়ে স্বাগত জানান আতাউর রহমান সরকার।

তিনি বলেন, এই যোগদান প্রমাণ করে, মানুষ এখন বিকল্প নেতৃত্ব চায়—যে নেতৃত্ব সৎ, যোগ্য জনগণের কল্যাণে নিবেদিত। আমি বিশ্বাস করি, কসবা-আখাউড়ার মানুষ এইবার ইনসাফ উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেবে।”

সমাবেশে উপস্থিত জনতার স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে কালতা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষও জানান, তারা ন্যায় ও পরিবর্তনের রাজনীতি দেখতে চান—যে রাজনীতি মানুষের পাশে থাকবে, লুটপাটের নয়; সেবা, সততা ও উন্নয়নের প্রতীক হবে দাঁড়িপাল্লা।

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

বিল্লাল হোসেন

বিল্লাল হোসেন, একজন প্রজ্ঞাবান পেশাজীবী, যিনি গণিতের ওপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং ব্যাংকার, অর্থনীতিবিদ, ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি সমৃদ্ধ ও বহুমুখী ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন। তার আর্থিক খাতে যাত্রা তাকে নেতৃত্বের ভূমিকায় নিয়ে গেছে, বিশেষ করে সৌদি আরবের আল-রাজি ব্যাংকিং Inc. এবং ব্যাংক-আল-বিলাদে বিদেশী সম্পর্ক ও করেসপন্ডেন্ট মেইন্টেনেন্স অফিসার হিসেবে। প্রথাগত অর্থনীতির গণ্ডির বাইরে, বিল্লাল একজন প্রখ্যাত লেখক ও বিশ্লেষক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন, বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে মননশীল কলাম ও গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করে। তার দক্ষতা বিস্তৃত বিষয় জুড়ে রয়েছে, যেমন অর্থনীতির জটিলতা, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, প্রবাসী শ্রমিকদের দুঃখ-কষ্ট, রেমিটেন্স, রিজার্ভ এবং অন্যান্য সম্পর্কিত দিক। বিল্লাল তার লেখায় একটি অনন্য বিশ্লেষণাত্মক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসেন, যা ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে অর্জিত বাস্তব জ্ঞানকে একত্রিত করে একাডেমিক কঠোরতার সাথে। তার প্রবন্ধগুলো শুধুমাত্র জটিল বিষয়গুলির উপর গভীর বোঝাপড়ার প্রতিফলন নয়, বরং পাঠকদের জন্য জ্ঞানপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে, যা তত্ত্ব ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। বিল্লাল হোসেনের অবদান তার প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে যে, তিনি আমাদের আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বের জটিলতাগুলি উন্মোচন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের একটি বিস্তৃত এবং আরও সূক্ষ্ম বোঝাপড়ার দিকে মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

কালতায় জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের জামায়াতে যোগদান:আগামী নির্বাচনে জনগণ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, দূর্নীতিবাজদের না বলবে-আতাউর রহমান সরকার

Update Time : ০৭:৪০:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

ATA KALTA

কালতায় জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের জামায়াতে যোগদান: আগামী নির্বাচনে জনগণ চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, দূর্নীতিবাজদের না বলবেআতাউর রহমান সরকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি │
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের নির্বাচনী উত্তাপ বাড়ছে দিন দিন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মাঠে নতুন মোড় নিয়েছে পরিস্থিতি। কসবা উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালতা গ্রামে শনিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনী সমাবেশে জাতীয় পার্টির বহু নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের প্রার্থী আতাউর রহমান সরকার। তিনি বলেন, দেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। তারা চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে রায় দেবে। আগামী নির্বাচনে জনগণ ইনসাফ ন্যায়ের প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করবে ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, আমরা কসবা-আখাউড়াকে একটি সমৃদ্ধ মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এই অঞ্চলের বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠাই আমাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়াই জামায়াতের প্রতিশ্রুতি।”

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবনেতা আজাদ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বি-বাড়িয়া জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমীর কাজী ইয়াকুব আলী, কসবা উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর শিবলী নোমানী, এবং সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি আল আমিন সরকার। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোবারক হোসেন, যুবনেতা শরিফুল ইসলাম, তৌহিদুল ইসলাম, ও নাছির উদ্দিন প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের মানুষ এখন রাজনৈতিক নৈতিকতার পুনর্জাগরণ চায়। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে। তারা বিশ্বাস করেন, জামায়াত ইসলামী ইনসাফ, জবাবদিহিতা ও উন্নয়নমূলক রাজনীতির মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।

সভা শেষে কালতা ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির নেতা জুনু মিয়ার নেতৃত্বে বহু কর্মী ও সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। নতুন যোগদানকারীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও করতালির মধ্য দিয়ে স্বাগত জানান আতাউর রহমান সরকার।

তিনি বলেন, এই যোগদান প্রমাণ করে, মানুষ এখন বিকল্প নেতৃত্ব চায়—যে নেতৃত্ব সৎ, যোগ্য জনগণের কল্যাণে নিবেদিত। আমি বিশ্বাস করি, কসবা-আখাউড়ার মানুষ এইবার ইনসাফ উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেবে।”

সমাবেশে উপস্থিত জনতার স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে কালতা প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে। সাধারণ মানুষও জানান, তারা ন্যায় ও পরিবর্তনের রাজনীতি দেখতে চান—যে রাজনীতি মানুষের পাশে থাকবে, লুটপাটের নয়; সেবা, সততা ও উন্নয়নের প্রতীক হবে দাঁড়িপাল্লা।