চীন সফর শেষে দেশে ফিরেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির, ভিআইপি সংবর্ধনায় চীনা রাষ্ট্রদূত
- Update Time : ০৭:২৭:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫
- / ১৫৮ Time View

চীন সরকারের আমন্ত্রণে সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মান্যবর মি. ইয়াও ওয়েন-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ভিআইপি লাউঞ্জে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে তাদের বরণ করে নেন।
সফর শেষে বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের সামনে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে চীনা রাষ্ট্রদূত মি. ইয়াও ওয়েন এবং জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে পারস্পরিক সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার দিকনির্দেশনা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে ইতিবাচক বক্তব্য উপস্থাপন করেন তাঁরা।
প্রতিনিধি দলের সদস্যবৃন্দ
এই সফরে জামায়াত নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:
- সংগঠনের নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের
- সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার
- সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম
- মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান
- অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল
- এহসানুল মাহবুব জুবায়ের
- কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. সাহাবুদ্দিন
- কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মো. সেলিম উদ্দিন
- ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন
সফরের পটভূমি
গত ১১ জুলাই চীন সরকারের সরাসরি আমন্ত্রণে জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলটি বেইজিং সফরে গিয়েছিল। সফরকালে তারা চীনের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে মতবিনিময় করেন বলে জামায়াত সূত্র জানিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানান আলোচনা। বাংলাদেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে চীনের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন এবং এমন ভিআইপি পর্যায়ের সংবর্ধনা রাজনৈতিক কূটনীতির এক নতুন মাত্রা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সফরের মাধ্যমে চীন হয়তো দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে নতুন করে প্রভাব বিস্তারের কৌশল নিচ্ছে। একইসঙ্গে জামায়াতের পক্ষ থেকেও বৈশ্বিক সংযোগ জোরদারের একটি কৌশল হিসেবে এ সফরকে দেখা যেতে পারে।
চীন সফর শেষে জামায়াত নেতৃবৃন্দের দেশে প্রত্যাবর্তন এবং চীনা দূতাবাসের অভ্যর্থনা প্রক্রিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক কীভাবে এগোয় এবং এর কূটনৈতিক প্রতিফলন কী হয়, তা সময়ই বলে দেবে। তবে নিঃসন্দেহে এটি একটি ব্যতিক্রমী ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ।










