সময়: রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাড়ির উঠানে দাদির, সরিষাক্ষেতে নাতনির মরদেহ উদ্ধার

ডিজিটাল ডেস্ক
  • Update Time : ১২:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৫৯ Time View

 

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় পৃথক স্থান থেকে দাদি ও নাতনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড়ির উঠান থেকে দাদির এবং পাশের সরিষাক্ষেত থেকে নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান।

নিহতরা হলেন দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা জয়নাল খা’র মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তারা দুজনই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কিশোরীর বাবা ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। গভীর রাতে বাড়ি থেকে কান্নার শব্দ শোনা গেলেও কিছু সময় পর তা থেমে যায়। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে নিখোঁজ নাতনিকে খুঁজতে গিয়ে পাশের সরিষাক্ষেতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা প্রতিহত করতে গেলে দাদিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। নাতনির মরদেহ সরিষাক্ষেতে পাওয়া গেছে; ঘটনার পেছনে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অপেক্ষা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পুলিশ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাড়ির উঠানে দাদির, সরিষাক্ষেতে নাতনির মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ১২:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় পৃথক স্থান থেকে দাদি ও নাতনির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড়ির উঠান থেকে দাদির এবং পাশের সরিষাক্ষেত থেকে নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানা-র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান।

নিহতরা হলেন দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা জয়নাল খা’র মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তারা দুজনই বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, কিশোরীর বাবা ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। গভীর রাতে বাড়ি থেকে কান্নার শব্দ শোনা গেলেও কিছু সময় পর তা থেমে যায়। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে নিখোঁজ নাতনিকে খুঁজতে গিয়ে পাশের সরিষাক্ষেতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, কিশোরীকে অপহরণের চেষ্টা প্রতিহত করতে গেলে দাদিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। নাতনির মরদেহ সরিষাক্ষেতে পাওয়া গেছে; ঘটনার পেছনে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অপেক্ষা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পুলিশ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।